থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উত্তরাঞ্চলীয় নন্তাবুরি প্রদেশের ‘দেবসিরিন নন্তাবুরি’ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক ১৪ বছর বয়সী কিশোর শিক্ষার্থীর এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন। প্রায় ৩,১০০ শিক্ষার্থী ও ১৪৭ জন শিক্ষক অধ্যুষিত ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যাপীঠে শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটে। রক্তক্ষয়ী তাণ্ডব চালানোর পর অভিযুক্ত হামলাকারী কিশোর নিজেও নিজের কাছে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে আত্মহত্যা করে, যার ফলে বন্দুকধারীসহ মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাতজনে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক গুরুতর আহত হয়েছেন।
ঘটনার আকস্মিকতায় আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা প্রাণভয়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে এবং দ্রুত স্কুল ভবন ত্যাগ করে। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ও ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠায়। কয়েকজন শিক্ষার্থীর প্রত্যক্ষদর্শী বর্ণনায় জানা যায়, শুরুতে তাঁরা পটকা বা আতশবাজির শব্দ ভেবেছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে পরপর গুলির শব্দে চারপাশ নিস্তব্ধ ও রক্তাক্ত হয়ে পড়ে। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেও হাত ইয়াই জেলার এক স্কুলে বন্দুকধারীর হামলায় শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছিল। সাম্প্রতিক এই ঘটনাটি থাইল্যান্ডের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন নিয়ে দেশজুড়ে পুনরায় তীব্র উদ্বেগ ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি, আরএনজেড


















