‘তাৎক্ষণিক অনলাইন ক্যাশ’, ‘দ্রুত ক্যাশ’, ‘ক্যাশ ক্রেডিট’, ‘স্মার্টলোন ওয়ার্ল্ড’, ‘গুইকলোন’—এমন সব মোবাইল অ্যাপের বিজ্ঞাপনে সোশ্যাল মিডিয়া ভরিয়ে দিয়েছে প্রতারক চক্র। তারা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অল্প পরিমাণ ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে অর্থ আদায় করছে।
প্রথমে রেজিস্ট্রেশনের সময় এনআইডি, ফোন নম্বর ও ইমেইল সংগ্রহ করে ১,৫০০ টাকার ঋণ দেখালেও গ্রাহক পান মাত্র ৯৭৫ টাকা। এক সপ্তাহ পর পরিশোধ করতে হয় ১,৭২৫ টাকা পর্যন্ত। এক দিন দেরি হলেই ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত সুদ যোগ হয়। এরপর ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে হুমকি, এমনকি ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করেও ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এসব অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের সঙ্গে তাদের কিংবা আইএমএফের কোনো সম্পর্ক নেই। ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, অনুমোদন ছাড়া অনলাইনে ঋণ দেওয়াকে আইন অপরাধ হিসেবে গণ্য করেছে। কেউ এ ধরনের প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করলে তার সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সবাইকে সতর্ক করে জানিয়েছে—এ ধরনের অননুমোদিত অ্যাপে ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।



















