বৃহস্পতিবার , ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

তিন বছরে বন্ধ ৪০০-এর বেশি গার্মেন্টস কারখানা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ ৫:৩৮ অপরাহ্ণ

Spread the love

গত তিন বছরে দেশে তৈরি পোশাক খাতের ৪০০টির বেশি কারখানা বন্ধ হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এর মধ্যে বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সদস্য ২৮২টি এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সদস্য ১২৩টি কারখানা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান তিনি।

সংসদ সদস্য রুহুল আমিনের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত তিন বছরে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর মোট ৪০৫টি সদস্য কারখানা বন্ধ হয়েছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোর নামের পূর্ণাঙ্গ তালিকা সংগ্রহের কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।

কারখানা বন্ধের পেছনে যেসব কারণ

তৈরি পোশাক কারখানাগুলো বন্ধ হওয়ার পেছনে একাধিক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক কারণ রয়েছে বলে সংসদে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, করোনা মহামারির বিরূপ প্রভাব, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক মন্দা পোশাক খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

এ ছাড়া দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থ পাচারের কারণে ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট, ইউরোপের সঙ্গে ভারত ও ভিয়েতনামের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবং বিদেশি ক্রেতাদের ছোট ও মাঝারি কারখানায় রপ্তানি আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে অনাগ্রহকেও অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

পোশাক খাতে সরকারি প্রণোদনা

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের অবস্থান ধরে রাখতে সরকার বিভিন্ন প্রণোদনামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি সংসদকে জানান, রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে ১ দশমিক ৫০ শতাংশ বিকল্প নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ইউরো অঞ্চলে বস্ত্রপণ্য রপ্তানিকারকদের বিদ্যমান সুবিধার পাশাপাশি অতিরিক্ত শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ বিশেষ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতের নিট, ওভেন ও সোয়েটারসহ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে অতিরিক্ত ৩ শতাংশ সুবিধা এবং তৈরি পোশাক খাতে বিশেষ নগদ সহায়তা হিসেবে শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকি

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী দেশের বাজার পরিস্থিতি নিয়েও সংসদকে অবহিত করেন।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের সহনীয় পর্যায়ে দ্রব্যমূল্য রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও তদারকি করা হচ্ছে। জেলা পর্যায়ের বিশেষ টাস্কফোর্স এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বাজারে অতিরিক্ত মূল্য আদায়, মজুদদারি, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী জরিমানা ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া বাজারে স্বাভাবিক প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে সিন্ডিকেট, কার্টেল ও যোগসাজশমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

ভবিষ্যতেও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ এবং দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকারের বাজার তদারকি ও আইনানুগ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে সংসদকে আশ্বস্ত করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

আজ সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলন

এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন মাহদী আমিন

অসুস্থ জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল

ব্রিকস বৈঠকে যোগ দিতে আগামী সপ্তাহে ভারতে যাচ্ছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রামে আরও একটি জাহাজ

যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত ৩, দুই হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার

ফেব্রুয়ারিতেই ভোট, ঠেকানোর শক্তি নেই: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব

শিক্ষকতার পাশাপাশি অন্য চাকরি করলে তদন্ত : শিক্ষামন্ত্রী

সেপ্টেম্বর থেকে ৬ মাসে মালয়েশিয়া যাবে ২ লাখ বাংলাদেশি

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় ইসরায়েলি হস্তক্ষেপে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী