বিএনপির প্রবীণ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনীত হওয়ায় বঙ্গভবনে যাত্রার সুবিধার্থে তাঁর মন্ত্রিত্ব (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়), দলের মহাসচিব পদ এবং জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যপদ ত্যাগ করেছেন। একই সঙ্গে প্রথম ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে আগামী ১৭ আগস্ট সরকারের ছয় মাস পূর্তিকে সামনে রেখে দল ও মন্ত্রিসভায় ব্যাপক রদবদলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ফখরুলের ছেড়ে দেওয়া স্থানীয় সরকার দপ্তরের দায়িত্ব পেতে পারেন বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং সেক্ষেত্রে শূন্য হওয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসতে পারেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে পূর্ণ মন্ত্রী করার পাশাপাশি স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, রুহুল কবির রিজভী, নজরুল ইসলাম খান ও জয়নুল আবদিন ফারুকসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলের নেতাদের মন্ত্রিসভায় যুক্ত করার জোরালো গুঞ্জন চলছে।
অন্যদিকে, স্থায়ী কমিটিসহ দলের সাংগঠনিক কাঠামোতেও বড় পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যেই সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। দলের স্থায়ী কমিটিতে রফিকুল ইসলাম মিয়ার অসুস্থতা, হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্পিকার পদ গ্রহণ এবং ফখরুলের পদত্যাগের ফলে সৃষ্ট শূন্য পদে শামসুজ্জামান দুদু, নুরুল ইসলাম মনি, ইসমাইল জবিউল্লাহ ও মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের মতো ত্যাগী নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া ফখরুলের শূন্য হতে যাওয়া ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে তাঁর কন্যা বা ভাইয়ের মধ্যে কারো বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, ১৮০ দিনের অর্জন ও সীমাবদ্ধতার সূক্ষ্ম পর্যালোচনা শেষে দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই সরকার ও দলের সার্বিক পরিবর্তন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার রূপরেখা ঘোষণা করবেন।


















