জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক আজ বুধবার (১২ আগস্ট) শেষ হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই সমাপনী শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে জানানো হয়, ষষ্ঠ কার্যদিবসের মতো চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম তাঁদের সমাপনী বক্তব্য উপস্থাপন শেষ করবেন এবং এর পরপরই পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত ‘স্টেট ডিফেন্স’ আইনজীবীরা নিজেদের যুক্তিতর্ক ও সাফাই উপস্থাপন শুরু করবেন।
প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক চলাকালে ট্রাইব্যুনালে ডিবি প্রধান হারুনুর রশিদের ফোনালাপসহ নতুন একাধিক বিস্ফোরক কল রেকর্ড জমা দেওয়া হয়েছে, যেখানে আন্দোলনের সমন্বয়কদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে খাবার খাওয়ানোর নাটকীয় ছবি প্রকাশের বিষয়েও বিস্তারিত উঠে এসেছে। রাষ্ট্রপক্ষের অখণ্ড যুক্তি অনুসারে, জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা সমন্বিতভাবে সহিংস নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। ওবায়দুল কাদের ছাড়া মামলার বাকি পলাতক আসামিরা হলেন আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন ও ওয়ালি আসিফ ইনান। ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের ওপর সশস্ত্র হামলা ও ব্যাপক গণহত্যার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।

















