বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচেম) এক প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ ও উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় মিলিত হয়েছে। অ্যামচেম বাংলাদেশের নতুন সভাপতি ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের নেতৃত্বে আট সদস্যের এই প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেয়। সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করে জানান যে, বাংলাদেশে বর্তমানে সরাসরি বৈচিত্র্যময় বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত অনুকূল পরিবেশ রয়েছে এবং সরকার আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের নীতিগত ও প্রশাসনিক সহযোগিতা প্রদান করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সময় অ্যামচেমের প্রতিনিধিরা সরকারের সাম্প্রতিক একক উইন্ডো ব্যবস্থা, কর ও ভ্যাট প্রশাসনের ডিজিটাইজেশন, মূলধন ও মুনাফা প্রত্যাবাসন সহজীকরণ এবং কাস্টমস প্রক্রিয়ার আধুনিকায়নের মতো বিনিয়োগবান্ধব সংস্কার কর্মসূচির ভূয়সী প্রশংসা করেন। সংগঠনটি জানায় যে, তাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে দেশে ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আরও ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নতুন মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণে তারা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া ডিজিটাল অর্থনীতির উৎকর্ষ সাধনে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) গ্রহণ ও সাইবার নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং একটি ‘ডিজিটাল ইকোনমি অ্যাডভাইজারি ফোরাম’ গঠনের সুপারিশ তুলে ধরা হয়। পরিশেষে অ্যামচেম ও ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিতব্য ৩০তম ইউএস ট্রেড শোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে তারা আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।


















