প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ন চিরাসাওয়াদি। সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করা, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ‘ই-ভিসা’ (e-Visa) চালু করা এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে থাইল্যান্ডের ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে উভয় পক্ষ বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে বছর ধরে চলে আসা দালালচক্রের দৌরাত্ম্য ও নানাবিধ জটিলতা নিরসনে উভয় দেশের যৌথ পদক্ষেপ নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক সহায়তার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হয়। মাহ্দী আমিন বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, কারিগরি শিক্ষা নিশ্চিতকরণ ও তৃতীয় ভাষা শিক্ষার পরিকল্পনা তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ন চিরাসাওয়াদি জানান, প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে গমনকারী বিপুল সংখ্যক পর্যটকের যাত্রা সহজ ও নিরাপদ করতে এবং রোগীদের জন্য থাইল্যান্ডে চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করতে তাঁরা ইতিবাচক পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এছাড়া, থাই শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধ অভিবাসনের সুযোগ এবং দুই দেশের প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) নিয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ প্রকাশ করেন। ২০২৭ সালে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে যৌথ উৎসব উদযাপনের ঘোষণা দিয়ে বৈঠকটি সমাপ্ত হয়।


















