জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) চূড়ান্তভাবে পাস হয়েছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে তা সর্বসম্মতভাবে পাস হয়। নতুন এই বাজেট আগামীকাল বুধবার (১ জুলাই) ২০编制৬ থেকে দেশজুড়ে কার্যকর হবে। এর আগে গত ১১ জুন অর্থমন্ত্রী এই বাজেট প্রস্তাব সংসদে পেশ করার পর সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের দীর্ঘ আলোচনা-পর্যালোচনা শেষে এটি অনুমোদিত হয়।
১৩৪৪টি ছাঁটাই প্রস্তাব নিষ্পত্তি ও অর্থবিল পাস
বাজেট পাসের মূল প্রক্রিয়ায় যাওয়ার আগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ব্যয়-সম্পর্কিত ৫৯টি মঞ্জুরি দাবি সংসদে উত্থাপন করা হয়। এর বিপরীতে বিরোধী ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা মোট ১,৩৪৪টি ছাঁটাই প্রস্তাব (Cut Motions) জমা দেন। নির্দিষ্ট কয়েকটি ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর সংসদে মুখরোচক ও দীর্ঘ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীতে তা কণ্ঠভোটের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়। এর আগে গতকাল সোমবার কর ও শুল্কসংক্রান্ত বিভিন্ন সংশোধনীসহ ‘অর্থবিল ২০২৬’ পাস করে জাতীয় সংসদ, যা করদাতাদের জন্য বেশ কিছু স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে।
করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি ও কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ বাতিল
সংশোধিত অর্থবিলে দেশের মধ্যবিত্ত ও চাকরিজীবীদের স্বস্তি দিয়ে করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি করে ৪ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। একই সাথে দেশের আবাসন খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ‘বিনা প্রশ্নে কালো টাকা বিনিয়োগের বিতর্কিত সুযোগ’ সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছে। শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবার ব্যয় কমাতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজের ওপর প্রস্তাবিত করপোরেট কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে মাত্র ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া সাধারণ ভোক্তাদের সুরক্ষায় খুচরা ব্যবসায়ীদের ওপর নতুন করে ভ্যাট আরোপের যে প্রস্তাব করা হয়েছিল, তা চূড়ান্ত অর্থবিল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।


















