রবিবার , ২৮ জুন ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলির মামলায় রায় আজ

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ২৮, ২০২৬ ৪:৩৪ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর রামপুরায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের ছাদের কার্নিশে ঝুলে থাকা হোটেল কর্মচারী আমির হোসেনকে নৃশংসভাবে গুলি করা এবং অন্য দুইজনকে হত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আজ রোববার (২৮ জুন) তাদের ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করবেন। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্য বিশিষ্ট ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১’ এ রায় প্রদান করবেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায়টি আদালতের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে ট্রাইব্যুনাল থেকে সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ টেলিকাস্ট) করা হবে বলে প্রসিকিউশন টিমের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

গা শিউরে ওঠা সেই ১৯ জুলাই ও আমিরের বাঁচার আকুতি

তদন্ত প্রতিবেদন ও প্রসিকিউশনের বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে রামপুরার একটি হোটেলে কাজ শেষে বনশ্রী-মেরাদিয়া সড়ক দিয়ে ঢাকায় অবস্থানরত ফুফুর বাসায় ফিরছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান তরুণ আমির হোসেন। ওই সময় রাস্তায় পুলিশ ও তৎকালীন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সাঁজোয়া যান দেখে এবং প্রচণ্ড গুলির শব্দে প্রাণ বাঁচাতে তিনি পাশে থাকা একটি নির্মাণাধীন চারতলা ভবনের ছাদে আশ্রয় নেন। পুলিশ সদস্যরা অস্ত্রহাতে তাঁর পিছু পিছু ছাদে উঠলে জীবনরক্ষার শেষ চেষ্টা হিসেবে আমির ভবনটির ছাদের কার্নিশের রড ধরে শূন্যে ঝুলে থাকেন। কিন্তু নিষ্ঠুর পুলিশ সদস্যরা তাকে দেখা মাত্রই অত্যন্ত কাছ থেকে ঠান্ডা মাথায় গুলি বর্ষণ করে। গুলিতে মারাত্মক জখম হয়ে তিনি তিনতলার সানশেডে আছড়ে পড়েন। পরবর্তীতে স্থানীয় জনতা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বনশ্রীর একটি হাসপাতালে এবং ওই রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করে। দীর্ঘদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও তিনি আজীবনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন।

সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৫ আসামি

ভয়াবহ এই ঘটনার পাশাপাশি রামপুরা এলাকায় একই দিনে আরও দুইজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় এজাহারনামীয় ও অভিযুক্ত পাঁচ শীর্ষ আসামি হলেন— ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান, রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার এবং রামপুরা থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। অভিযুক্ত আসামিদের মধ্যে রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন এবং বাকি চারজন পলাতক। জুলাই গণহত্যার প্রতীকী এই মামলার রায়ের দিকে আজ পুরো দেশবাসীর চোখ রয়েছে।

সর্বশেষ - অপরাধ