সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কাতার সরকার প্রয়োজনে বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠাতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্র। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
একইদিন নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান—খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা “অপরিবর্তিত” থাকলেও চিকিৎসায় সাড়া মিলছে।
দলের মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক নেতাদের বরাত দিয়ে জানা যায়, বিদেশে স্থানান্তরের প্রয়োজন দেখা দিলে কাতার সরকার সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। প্রয়োজন হলে বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সও পাঠানো হবে। গত জানুয়ারি লন্ডনে যাওয়া এবং মে মাসে দেশে ফেরার সময়ও কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করা হয়েছিল।
গত বছর গণঅভ্যুত্থানে পূর্ববর্তী সরকারের পতনের পর ৫ আগস্ট মুক্তি পান খালেদা জিয়া। এরপর ১১৭ দিন চিকিৎসা নিয়ে তিনি গত ৬ মে ঢাকায় ফেরেন।
গত ২৩ নভেম্বর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হলে পরবর্তীতে সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা সমন্বিতভাবে চিকিৎসা দিচ্ছেন এবং বিষয়টিকে “সংকটাপন্ন” বলে বর্ণনা করছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার ও চোখের নানা জটিলতায় ভুগছেন বেগম খালেদা জিয়া।


















