সোমবার , ১ জুন ২০২৬ | ১লা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

ভূগর্ভস্থ ঘাঁটি দ্রুত পুনরুদ্ধার করছে ইরান, মার্কিন গোয়েন্দাদের উদ্বেগ

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ১, ২০২৬ ৪:২১ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হলে ইরান আগের তুলনায় অনেক বেশি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে সক্ষম হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সামরিক বিশ্লেষকরা. কারণ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের বহু ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে. বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংসে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশলের সীমাবদ্ধতাকেই স্পষ্ট করে তুলেছে. স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ইরান সাধারণ নির্মাণযন্ত্র যেমন—বুলডোজার, ফ্রন্ট-অ্যান্ড লোডার ও ডাম্প ট্রাক ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলো পুনরায় সচল করছে. এতে বোঝা যাচ্ছে যে, শুধু সুড়ঙ্গের প্রবেশপথ ধ্বংস করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিকে দীর্ঘমেয়াদে অকার্যকর করে রাখা সম্ভব নয়. যদিও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে একটি প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছেছে, তবুও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি এবং যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে ইরান এখনও উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর সক্ষমতা ধরে রেখেছে.

গবেষণা প্রতিষ্ঠান জেমস মার্টিন সেন্টার ফর নন-প্রলিফারেশন স্টাডিজের গবেষণা সহযোগী স্যাম লেয়ার জানান, ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ হলেও পর্যাপ্ত লঞ্চার ও অপারেটর থাকায় ইরান হামলা চালিয়ে যেতে পারবে. যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিগুলোর প্রবেশপথ ধ্বংস এবং সংযোগ সড়কগুলো বোমা মেরে অচল করে দিলেও যুদ্ধবিরতির মাত্র সাত সপ্তাহের মধ্যে ইরান ব্যাপক পুনর্গঠন কার্যক্রম চালিয়েছে. বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১৮টি ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬৯টি সুড়ঙ্গ প্রবেশপথের মধ্যে ইতোমধ্যে ৫০টি পুনরায় সচল করা হয়েছে এবং বোমায় সৃষ্ট গর্ত ভরাট করে সড়কগুলোও পুনর্নির্মাণ ও পিচঢালাই করা হয়েছে. অথচ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ শুরুর পর একাধিকবার দাবি করেছিলেন যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করাই ছিল এই অভিযানের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য. দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে শত শত মিটার পুরু পাথরের স্তরের নিচে গড়ে তোলা এই নেটওয়ার্কের কারণে ইরানের ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোতে এখনও প্রায় এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষিত রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন.

ইসফাহান ও খোমেইনের কাছাকাছি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোর স্যাটেলাইট ছবিতে ডাম্প ট্রাক ও ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সুড়ঙ্গ ও সড়ক পুনরুদ্ধারের ব্যাপক তৎপরতা ধরা পড়েছে. মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ইরান ইতোমধ্যে ড্রোন উৎপাদন পুনরায় শুরু করেছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ও উৎপাদন সক্ষমতা পুনর্গঠনের কাজও দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে. একজন মার্কিন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে বলেছেন, “পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে ইরান গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নির্ধারিত সময়সীমার চেয়েও দ্রুত অগ্রগতি অর্জন করেছে।” জার্মানির ইন্সটিটিউট ফর পিস রিসার্চ অ্যান্ড সিকিউরিটি পলিসির জ্যেষ্ঠ গবেষক তিমুর কাদিশেভ মনে করেন, এই সামরিক অভিযান একটি মৌলিক বাস্তবতা সামনে এনেছে; যেখানে অত্যন্ত উন্নত ও ব্যয়বহুল অস্ত্র ব্যবহার করে যে ক্ষতি করা হয়, তা মূলত বুলডোজার ও নির্মাণযন্ত্রের মতো কম খরচের নিম্নপ্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রপাতি দিয়ে দ্রুত মেরামত করা সম্ভব. বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের এই দ্রুত পুনরুদ্ধার মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে.

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

গাজা অভিযানে সেনা সংকটে ইসরায়েল, রিজার্ভ সদস্যদের বিক্ষোভ

দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

শিল্পী সমিতি থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার অভিনেত্রী নিপুণ!

মাটি ও পরিবেশ উপযোগী বৃক্ষরোপণের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

জমে উঠেছে রাজধানীর পশুর হাট, ছোট গরুর চাহিদা বেশি

চট্টগ্রাম বন্দর অচল: এনসিটি ইজারা বিরোধী ধর্মঘট তুঙ্গে

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ইসরায়েলি হামলায় সায় নেই বাইডেনের

আদালত প্রাঙ্গণে মমতাজকে লক্ষ্য করে ডিম ও জুতা নিক্ষেপ

ওয়াশিংটনে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির সঙ্গে নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক

ক্ষমতার শীর্ষে আসিম মুনির: পাকিস্তানের গন্তব্য কোথায়?