সোমবার , ২৫ মে ২০২৬ | ৩০শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

মধ্যরাতে জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব ক্যাম্পে ইয়াসিন বাহিনীর গুলিবর্ষণ

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
মে ২৫, ২০২৬ ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার অপরাধের স্বর্গরাজ্য খ্যাত আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরে সদ্য প্রতিষ্ঠিত র‍্যাব ক্যাম্প লক্ষ্য করে গভীর রাতে মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ করেছে দুর্ধর্ষ ভূমিদস্যু ও এক সময়ের নিয়ন্ত্রক সন্ত্রাসী বাহিনী। গতকাল রবিবার (২৪ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে জঙ্গল সলিমপুরের পাহাড়ের ভেতরে অবস্থিত অস্থায়ী ওই অস্থায়ী ক্যাম্পে এই অতর্কিত ও দুঃসাহসিক হামলার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব-৭-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, যৌথ বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে জঙ্গল সলিমপুর থেকে বিতাড়িত ও পলাতক সন্ত্রাসী ‘ইয়াসিন গ্রুপ’ বা ইয়াসিন বাহিনী এই বর্বরোচিত ও প্রতিশোধমূলক হামলার ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে তাঁরা সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হয়েছেন। এই হামলার পরপরই রাত ৩টার দিকে সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ যৌথ বাহিনী পুরো জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকাটি চারপাশ থেকে অবরুদ্ধ ও ঘেরাও করে ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এক চিরুনি অভিযানে নেমেছে।

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ-ফৌজদারহাট সংযোগ সড়ক হয়ে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের বিপরীত দিক দিয়ে পাহাড়ের গভীরে চলে যাওয়া জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকাটিতে প্রায় ৩ হাজার ১০০ একর সরকারি খাসজমি রয়েছে। গত প্রায় তিন দশক ধরে এই দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলটি বিভিন্ন প্রভাবশালী ভূমিদস্যু, জলদস্যু ও সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী অবৈধভাবে পাহাড় কেটে ও উচ্ছেদ করে সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল, যা দেশের পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে আসছিল। এসব দস্যুরা দেশের জলবায়ু উদ্‌বাস্তু ও গৃহহীন দরিদ্র মানুষদের স্বল্পমূল্যে পাহাড়ে ঘর করার প্রলোভন দিয়ে সেখানে অবৈধ বসতি গড়ত এবং আড়ালে নিজেরা গড়ে তুলেছিল ভারী অস্ত্র, ডাকাতি ও মাদকের এক বিশাল সাম্রাজ্য। পরবর্তীতে গত ৯ মার্চ (সোমবার) সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ ও বিজিবির এক নজিরবিহীন যৌথ মহড়া ও অভিযানের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের এই দুর্ভেদ্য দুর্গ গুঁড়িয়ে দিয়ে জঙ্গল সলিমপুরের নিয়ন্ত্রণ নেয় সরকার এবং সেখানে পুলিশ প্রশিক্ষণ একাডেমি ও কেন্দ্রীয় কারাগারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা তৈরির মহাপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ৯ মার্চের সেই মেগা অভিযানে ২২ জন চিহ্নিত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও ইয়াসিন বাহিনীর প্রধান কুখ্যাত মো. ইয়াসিন এবং রোকন বাহিনীর প্রধান রোকন উদ্দিনসহ মশিউর রহমান, নুরুল হক ভান্ডারি, গাজী সাদেক ও গোলাম গফুরের মতো শীর্ষ ও দুধর্ষ সন্ত্রাসীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে পলাতক রয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসীর তথ্যমতে, অভিযানের পূর্বে জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকা রোকনের দখলে এবং আলীনগর এলাকাটি ইয়াসিনের একক নিয়ন্ত্রণে ছিল। দীর্ঘদিনের চেনা সাম্রাজ্য হারিয়ে পাহাড়ের বাইরে আত্মগোপনে থাকা এই পলাতক সন্ত্রাসীরাই আজ নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিতে ও ক্যাম্পে অবস্থানরত আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ভয় দেখাতে এই দুঃসাহসিক হামলার ছক কষেছিল। বর্তমানে পাহাড়ের সব প্রবেশ পথ সিলগালা করে অপরাধীদের জীবিত বা মৃত ধরতে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান চলছে এবং সলিমপুর এলাকায় চরম উত্তেজনা ও কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী বজায় রয়েছে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

যুদ্ধবিরতি বাড়লেও তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী

একদিনে রেকর্ড কনটেইনার হ্যান্ডলিং চট্টগ্রাম বন্দরে

হাতকড়া–শিকলে ৭৫ ঘণ্টা: যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত বাংলাদেশিদের রোমহর্ষক বর্ণনা

১৬ মাসে সবচেয়ে বেশি সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছি আমি: আসিফ নজরুল

আগামীকাল ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চীন-রাশিয়া-উ. কোরিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ট্রাম্পের

বুলেটপ্রুফ গাড়ি আমদানি, নিবন্ধন নিলো বিএনপি

নির্বাচন নিয়ে ভারতের পরামর্শ অগ্রহণযোগ্য: তৌহিদ হোসেন

শহীদ মামুনের বোনের মাটির ব্যাংক হাতে নিয়ে আবেগাপ্লুত মির্জা ফখরুল

সিলেটে পৌঁছে শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত