শনিবার , ৩০ মে ২০২৬ | ১লা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

সরকার নির্ধারিত মূল্য না পাওয়ায় চামড়া ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ ও লোকসানের শঙ্কা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
মে ৩০, ২০২৬ ৩:৫৬ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

পবিত্র ঈদুল আজহা পরবর্তী সময়ে শরীয়তপুর জেলায় কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চলছে ব্যাপক লবণজাতকরণের ব্যস্ততা। তবে এই বাহ্যিক ব্যস্ততার আড়ালে জেলার চামড়া ব্যবসায়ীদের মনে বিরাজ করছে চরম হতাশা, অনিশ্চয়তা ও গভীর ক্ষোভ। দেশের চামড়া শিল্পের স্বার্থে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও মাঠপর্যায়ে বা স্থানীয় বাজারে সেই দামে চামড়া বিক্রি করতে না পারায় এবার বিশাল অঙ্কের আর্থিক লোকসানের আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। শরীয়তপুরের বিভিন্ন স্থানীয় বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ভালো মানের গরুর চামড়া বর্তমানে মাত্র ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে কেনাবেচা হচ্ছে। অথচ মাত্র পাঁচ বছর আগেও এই একই মানের চামড়া ৮০০ থেকে ১২০০ টাকায় অনায়াসে বিক্রি হতো বলে জানিয়েছেন প্রবীণ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। হঠাৎ করে চামড়ার বাজারের এমন নজিরবিহীন ধসে সবচেয়ে বেশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন প্রান্তিক ও খুচরা চামড়া সংগ্রহকারীরা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এবার ঢাকার বাইরে লবণযুক্ত খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ২০ থেকে ২৫ টাকা এবং গরুর কাঁচা চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৫২ থেকে ৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে বা মাঠপর্যায়ে সেই সরকারি মূল্যের কোনো প্রতিফলন নেই বলে তীব্র অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, সরকারের পক্ষ থেকে কাগজে-কলমে দাম নির্ধারণ ও ঘোষণা করা হলেও, তা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো বাজার তদারকি বা কঠোর নজরদারি লক্ষ্য করা যায়নি। শরীয়তপুর পৌরসভার ঋষিপাড়া এলাকার একটি চামড়ার গোডাউনের সামনে জড়ো হওয়া বেশ কয়েকজন স্থানীয় ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কোরবানিদাতাদের কাছ থেকে কাঁচা চামড়া সংগ্রহ, প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে তা পরিবহন এবং পরবর্তীতে গোডাউনে এনে লবণজাতকরণ করতে শ্রমিক ও লবণের পেছনে বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত টাকা খরচ হচ্ছে। কিন্তু সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিক্রির সময় আড়তদারদের কাছ থেকে কোনো ন্যায্য মূল্য বা আসল খরচও পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনেকেই বাপ-দাদার এই ঐতিহ্যবাহী ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে চরম হিমশিম খাচ্ছেন।

স্থানীয় ভুক্তভোগী চামড়া ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক তাঁর ব্যবসায়িক দুর্দশার কথা তুলে ধরে বলেন, “চামড়া কিনে লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করতে অনেক টাকা খরচ হচ্ছে। কিন্তু বাজারে দাম নেই। সরকার নির্ধারিত দামে যদি বিক্রি নিশ্চিত না হয়, তাহলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যাবে।” একই স্থানে থাকা আরেকজন খুচরা ব্যবসায়ী আক্ষেপ করে জানান, “আগে কোরবানির মৌসুমে চামড়া ব্যবসা লাভজনক ছিল। এখন লোকসানের ভয়ে অনেকেই চামড়া কিনতে চাইছেন না।” সামগ্রিক পরিস্থিতিতে চামড়ার বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে এবং অসাধু সিন্ডিকেটের হাত থেকে প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের বাঁচাতে সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপ ও মাঠপর্যায়ে কঠোর তদারকি ও মনিটরিং জোরদার করার জোর দাবি জানিয়েছেন শরীয়তপুরের চামড়া ব্যবসায়ীরা।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

গাজায় ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে: অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর

থাইল্যান্ডের রানি মা সিরিকিত আর নেই

সিলেটে ৪ মাত্রার মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

দেশের পাঁচটি অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে নদীবন্দরগুলোকে

নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করবে না অন্তর্বর্তী সরকার: জ্বালানি উপদেষ্টা

শপথ অনুষ্ঠানে আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে আমন্ত্রণ তারেক রহমানের

শ্রীপুরে কারখানায় হুড়োহুড়ি, আহত তিন শতাধিক শ্রমিক

সিইসির সঙ্গে মির্জা ফখরুলের বৈঠক; বাইরে ছাত্রদলের ঘেরাও কর্মসূচি

কানাডায় প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফেডারেল এমপি ডলি বেগম

সারাদেশে পাঁচ দিনের বৃষ্টির পূর্বাভাস ও তাপমাত্রা পরিবর্তন