শনিবার , ১৬ মে ২০২৬ | ১৯শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

ঐতিহাসিক চীন সফর শেষে বেইজিং ছেড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
মে ১৬, ২০২৬ ৩:২২ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

তিন দিনের ঐতিহাসিক সফর শেষে বেইজিং ছেড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০১৭ সালের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের চীন সফরকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক কৌতুহল ও মেগা ডিলের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। সফরজুড়ে ট্রাম্প চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আতিথেয়তা ও ব্যক্তিত্বের প্রশংসায় পঞ্চমুখ থাকলেও, আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ও রয়টার্সের মতো সংবাদমাধ্যমের চোখে এই সফরের বাস্তব অর্জন অত্যন্ত ‘যৎসামান্য’। বিশেষ করে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নিজের জনপ্রিয়তা বাড়াতে ট্রাম্প যেভাবে বেইজিং থেকে তাৎক্ষণিক সাফল্য চেয়েছিলেন, তা অধরাই রয়ে গেছে।

বাণিজ্যিক স্থবিরতা ও অপূর্ণ প্রত্যাশা: অ্যাপল, টেসলা, এনভিডিয়া, মেটা ও বোয়িংয়ের মতো মার্কিন জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ নির্বাহীরা ট্রাম্পের সফরসঙ্গী হওয়ায় ধারণা করা হয়েছিল এটি চীনকে উন্মুক্ত করার বড় সুযোগ হবে। কিন্তু সফর শেষে নতুন কোনো মেগা বাণিজ্যচুক্তি বা প্রযুক্তি নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ঘোষণা আসেনি। এনভিডিয়ার উন্নত চিপ (H200) বিক্রির বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি এবং বিরল খনিজ রপ্তানি নিয়ে দুই দেশের অচলাবস্থা কাটেনি। এমনকি বোয়িংয়ের ক্ষেত্রে ট্রাম্প ২০০টি বিমান বিক্রির দাবি করলেও তা বাজারের প্রত্যাশিত ৫০০ বিমানের চেয়ে অনেক কম হওয়ায় বোয়িংয়ের শেয়ারের ৪ শতাংশ দরপতন ঘটেছে।

ভূরাজনীতি, তাইওয়ান ও ইরান সংকট: মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা প্রশমনে ইরানের ওপর প্রভাব খাটাতে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল ওয়াশিংটন। কিন্তু ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের মতে, ইরান বেইজিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হওয়ায় চীন নির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। এছাড়া, চীনের উপকূলের স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ান ইস্যুতে শি জিনপিংয়ের কঠোর অবস্থান থেকে বেইজিংকে এক চুলও নড়ানো যায়নি। তবে সফরের একমাত্র দৃশ্যমান সাফল্য হলো গত অক্টোবরে হওয়া ভঙ্গুর ‘বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি’ বহাল থাকা, যার মাধ্যমে ট্রাম্প চীনা পণ্যে তিন অঙ্কের শুল্ক স্থগিত রেখেছেন এবং শি বিরল খনিজ সরবরাহ স্বাভাবিক রেখেছেন। যদিও চলতি বছরের শেষে এই চুক্তির মেয়াদ বাড়বে কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়।

সফরের ইতিবাচক দিক ও ট্রাম্পের শেষ বার্তা: বিশ্লেষকরা এই সফরকে পুরোপুরি ব্যর্থ বলতে নারাজ, কারণ এর মাধ্যমে অন্তত দুই পরাশক্তির সরাসরি সংলাপের পথ চালু রইল এবং বিশ্ব অর্থনীতি পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হওয়া থেকে রক্ষা পেল। তবে বেইজিং ছাড়ার আগে ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরান ইস্যুতে নিজের সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান জানান দিয়েছেন ট্রাম্প। আরব আমিরাত উপকূলে ইরানি বাহিনী কর্তৃক জাহাজ জব্দের ঘটনার পর ট্রাম্প তেহরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “আমি আর বেশি ধৈর্য ধরব না, তাদের দ্রুত চুক্তিতে আসা উচিত।”

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

মার্কিন যুদ্ধজাহাজে পাল্টা হামলার দাবি ইরানের

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ে দলের জন্য ২ কোটি টাকার বোনাস ঘোষণা

৮১টি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে সংলাপে ডাকল ইসি

মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ড: সোহাগ হত্যা ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে – ডিএমপি

মধ্যপ্রাচ্যে আটকা পড়া ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফিরল

১৭ আসামির বিরুদ্ধে পূর্বাচল প্লট মামলায় সাক্ষ্য পর্ব সম্পন্ন

ঈদে যানজটমুক্ত সড়ক নিশ্চিতের নির্দেশ সেতুমন্ত্রীর

নিজ কেন্দ্রে ভোট দিলেন মির্জা ফখরুল; বললেন—নতুন অধ্যায় শুরু

সাবেক উপদেষ্টাদের অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগের পাহাড়

ডলারের দাম স্থিতিশীল রাখতে ২০২ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক