ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে নবনির্বাচিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে অভিনন্দন জানিয়ে এক তাৎপর্যপূর্ণ ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। স্পিকারের দায়িত্বভার গ্রহণের পর শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই সংসদকে সরাসরি “জনগণের সংসদ” হিসেবে অভিহিত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল পয়েন্টসমূহ:
- জনগণের প্রত্যাশা: প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময় পর দেশের মানুষ একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করেছে। তাই সারা দেশের মানুষ অনেক বড় প্রত্যাশা নিয়ে এই সংসদের দিকে তাকিয়ে আছে।
- সংসদকে প্রাণবন্ত করা: তিনি স্পষ্ট করেন যে, তাঁর সরকার সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায়। সংসদকে প্রাণবন্ত ও কার্যকর করে তোলার ক্ষেত্রে তিনি স্পিকারের নিরপেক্ষ ও বলিষ্ঠ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- সহযোগিতার প্রত্যয়: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে সংসদ পরিচালনার ক্ষেত্রে সব ধরনের সরকারি সহযোগিতা প্রদানের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
- অভিনন্দন বার্তা: তিনি নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) এবং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সাফল্য কামনা করেন এবং তাঁদের এই ঐতিহাসিক দায়িত্ব প্রাপ্তিতে অভিনন্দন জানান।
প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, নতুন সরকার সংসদকে কেবল আইন প্রণয়নের কেন্দ্র নয়, বরং জনগণের ইচ্ছা প্রতিফলনের প্রধান মঞ্চ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে আগ্রহী।


















