বৃহস্পতিবার , ৯ এপ্রিল ২০২৬ | ৬ই বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
এপ্রিল ৯, ২০২৬ ৭:২২ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

আগামী পহেলা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল, ২০২৬) বাংলা নববর্ষের শুভক্ষণে দেশের ১০টি জেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ (Farmer Card) বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সরকারি এক তথ্যবিবরণীতে এই মাইলফলক উদ্যোগের বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

এই কর্মসূচির প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:


১. টাঙ্গাইলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

প্রধানমন্ত্রী সশরীরে উপস্থিত থেকে এই ঐতিহাসিক প্রকল্পের শুভ সূচনা করবেন।

  • স্থান: টাঙ্গাইল জেলা (শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজনের কথা রয়েছে)।
  • উদ্বোধন: প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে নির্বাচিত ১৫ জন কৃষকের কাছে এই বিশেষ স্মার্ট কার্ড তুলে দেবেন।
  • জেলাসমূহ: প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইলসহ ১০টি জেলায় (যেমন: বগুড়া, পঞ্চগড়, জামালপুর, ঝিনাইদহ, পিরোজপুর, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, রাজবাড়ী ও কক্সবাজারের নির্দিষ্ট উপজেলা) এই পাইলট প্রকল্প শুরু হচ্ছে।

২. কৃষক কার্ডের সুবিধা ও উদ্দেশ্য

এই কার্ডটি কেবল একটি পরিচয়পত্র নয়, বরং কৃষকদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও অধিকারের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে:

  • সরাসরি ভর্তুকি: এই কার্ডের মাধ্যমে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরা সরাসরি তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে গড়ে ২,৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা বা কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন।
  • সহজ ঋণ ও উপকরণ: কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে সার, উন্নত বীজ, কীটনাশক এবং আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ের সুবিধা পাবেন। এছাড়া সহজ শর্তে কৃষি ঋণ ও বিমা সুবিধাও এর আওতাভুক্ত থাকবে।
  • মধ্যস্বত্বভোগী নির্মূল: ডিজিটাল এই কার্ডের মাধ্যমে সরকারি সহায়তা সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছাবে, ফলে মাঝপথে অর্থ লোপাট বা অনিয়মের সুযোগ থাকবে না।

৩. দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে।

  • পাইলট প্রকল্প: বর্তমানে ১১টি উপজেলার নির্দিষ্ট ব্লকে এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে।
  • সারাদেশে সম্প্রসারণ: পাইলট প্রকল্পের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে আগামী ৪ বছরের মধ্যে দেশের সকল উপজেলার সকল কৃষককে এই ডিজিটাল কার্ডের আওতায় আনা হবে।
  • ডেটাবেজ: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (DAE) মাধ্যমে ইতিমধ্যে প্রান্তিক কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ ও ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

কৃষকদের মাঝে নতুন আশা

টাঙ্গাইলসহ সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর কৃষকদের মাঝে এই ঘোষণায় ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ঝিনাইদহের শৈলকুপা এবং টাঙ্গাইল সদরের কৃষকরা বৈশাখের উৎসবে এমন উপহার পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ বাংলাদেশের কৃষি খাতকে আরও আধুনিক ও স্মার্ট করে তুলবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত