রবিবার , ৫ এপ্রিল ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার ‘ভয়ঙ্কর’ দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
এপ্রিল ৫, ২০২৬ ৮:২১ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরান-আমেরিকা সংঘাত এখন এক চরম উত্তেজনাকর পর্যায়ে পৌঁছেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ইরানের আকাশসীমায় দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানকে দমনে এবার আমেরিকা তাদের অস্ত্রভাণ্ডারের অন্যতম শক্তিশালী ও নিখুঁত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র JASSM-ER ব্যবহারের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বর্তমান রণকৌশল ও সামরিক প্রস্তুতির প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

১. জেএএসএসএম-ইআর (JASSM-ER) ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা

আমেরিকা এবার তাদের সবচেয়ে আধুনিক এবং বিধ্বংসী এই ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

  • পাল্লা: এটি প্রায় ১০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।
  • স্টিলথ প্রযুক্তি: এই ক্ষেপণাস্ত্রটি শত্রুপক্ষের রাডার বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে লক্ষ্যবস্তুর দিকে এগিয়ে যেতে পারে।
  • মজুত: মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডারে বর্তমানে প্রায় ২৩০০টি এই মডেলের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যার বড় একটি অংশ ইতোমধ্যে ইরানের দিকে তাক করে রাখা হয়েছে।

২. পূর্ববর্তী ক্ষয়ক্ষতির প্রভাব

মার্চ মাস জুড়ে আমেরিকা তাদের মাঝারি পাল্লার (৪০০ কিমি) জেএসএসএম ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। তবে ইরানের উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, বিশেষ করে ‘মজিদ ইনফ্রারেড-গাইডেড সিস্টেম’ ব্যবহার করে মার্কিন স্টিলথ প্রযুক্তির বিমান ও ড্রোন ভূপাতিত করায় পেন্টাগন এখন দীর্ঘপাল্লার ও আরও শক্তিশালী মারণাস্ত্রের দিকে ঝুঁকছে।

৩. হরমুজ প্রণালী ও বৈশ্বিক সংকট

ইরান কর্তৃক বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে:

  • জ্বালানি সংকট: আমদানিকৃত তেলবাহী জাহাজ পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় দেশের পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে।
  • অর্থনৈতিক চাপ: বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে মূল্যস্ফীতি ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

৪. প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

পাইলট ও যুদ্ধবিমান হারানোর কথা স্বীকার করলেও ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ইরান যদি আলোচনার টেবিলে না বসে, তবে আমেরিকা তাদের ‘ভয়াবহতম’ অস্ত্র প্রয়োগ করবে। মার্চের শেষ থেকেই এই দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন শুরু হওয়া সেই হুমকিরই বাস্তব প্রতিফলন বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

এই পরিস্থিতি কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্য এক বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওদিকে ইরানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যেকোনো বড় হামলার দাঁতভাঙা জবাব দিতে তারা প্রস্তুত।

 সূত্র: ব্লুমবার্গ, জাপান টাইমস, আল-মায়াদিন, এনডিটিভি

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত