ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ‘গণভোট’ ও ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে আলোচনার শুরুতে জামায়াতের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান নিজেকে একজন শহীদ পরিবারের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ, ২০২৬) সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই দাবি করেন। এটি জাতীয় সংসদের ফ্লোরে তাঁর পক্ষ থেকে দেওয়া এই ধরনের প্রথম আনুষ্ঠানিক বক্তব্য।
ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- শহীদ পরিবারের পরিচয়: স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম-কে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আপনি একজন গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর বিক্রম। আমিও ক্ষুদ্র একটি শহীদ পরিবারের সন্তান।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্য জীবন দিয়ে আত্মত্যাগকারীদের তালিকায় শরিক হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন।
- স্বাধীনতার ৫৪ বছর ও প্রত্যাশা: বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, এই দীর্ঘ সময়ে অনেক সরকারের পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু জনগণের বিপুল প্রত্যাশার জায়গায় দাঁড়িয়ে আজও স্বাধীনতার পূর্ণ আকাঙ্ক্ষা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
- সংসদে প্রথম দাবি: যদিও এর আগে বিভিন্ন দলীয় ফোরাম বা জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান নিজেকে শহীদ পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, তবে দেশের সর্বোচ্চ আইনসভা অর্থাৎ জাতীয় সংসদে এবারই প্রথম তিনি এই দাবিটি জনসমক্ষে আনলেন।
সংসদের আজকের অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতার এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়া এবং নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের প্রেক্ষাপটে তাঁর এই অবস্থানকে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন বিশ্লেষকরা।



















