দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ, ২০২৬) সন্ধ্যা পৌনে ৭টা থেকে ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোর উদ্দেশ্যে এই ডিজেলের চালান আসা শুরু হয়।
এই জ্বালানি আমদানির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- সরবরাহের সময়সীমা: পদ্মা অয়েল কোম্পানির ডেপুটি ম্যানেজার আহসান হাবিব চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন যে, পাইপলাইনের মাধ্যমে এই ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আসার প্রক্রিয়া আগামী ৩১ মার্চ নাগাদ পুরোপুরি সম্পন্ন হবে।
- পূর্ববর্তী চালান: এর আগে গত ২৪ মার্চ পাইপলাইনের মাধ্যমে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলের একটি চালান পাঠানো হয়েছিল, যা প্রায় ৬০ ঘণ্টা পথ অতিক্রম করে গত শুক্রবার সকালে পার্বতীপুর টার্মিনালে পৌঁছায়। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গত শুক্রবার ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রেখে তেল খালাস করা হয়।
- চলতি বছরের পরিসংখ্যান: এই নিয়ে চলতি ২০২৬ সালে চার ধাপে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে মোট ২২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করা হলো (আগের ১৫ হাজার এবং বর্তমান ৭ হাজার টন)।
- কৌশলগত গুরুত্ব: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির অস্থিরতা চললেও এই পাইপলাইন প্রকল্পটি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে ডিজেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতে বড় ভূমিকা রাখছে। এতে পরিবহন খরচ ও সময় উভয়ই সাশ্রয় হচ্ছে।
সরকারের এই তড়িৎ পদক্ষেপের ফলে দেশের উত্তরাঞ্চলসহ কৃষি প্রধান এলাকাগুলোতে সেচ ও পরিবহনের জন্য ডিজেলের কোনো ঘাটতি হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।


















