দীর্ঘ ৯ দিন পর সারাদেশে জ্বালানি তেল বিক্রিতে আরোপিত রেশনিং পদ্ধতি প্রত্যাহার করেছে সরকার। আজ রোববার (১৫ মার্চ ২০২৬) থেকে দেশের সব পেট্রল পাম্পে তেল সরবরাহ ও বিক্রি আগের মতো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর গুলিস্তানে এক অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। মূলত আসন্ন ঈদুল ফিতরে মানুষের যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহন নির্বিঘ্ন করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় গত ৬ মার্চ থেকে তেলের সরবরাহে সীমা বেঁধে দিয়েছিল সরকার। ওই সময় মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক ২ লিটার এবং ভারী যানবাহনের জন্য সর্বোচ্চ ২২০ লিটার পর্যন্ত তেল বিক্রির নিয়ম কার্যকর ছিল। তবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) নিশ্চিত করেছে যে, বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। বর্তমানে প্রায় ২ লাখ টন ডিজেল এবং ১৬ হাজার টন পেট্রল ও অকটেন মজুদ আছে, যা দিয়ে বর্তমান চাহিদা অনায়াসেই মেটানো সম্ভব।
সেতুমন্ত্রী জানান, ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতির আশঙ্কায় দেওয়া সাময়িক বিধিনিষেধ আপাতত আর থাকছে না। ঈদযাত্রায় সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের ভোগান্তিতে না পড়ে, সেটিই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য। আজ সকাল থেকেই ফিলিং স্টেশনগুলোতে কোনো প্রকার সীমা ছাড়াই তেল বিক্রি শুরু হওয়ায় পরিবহন মালিক ও সাধারণ চালকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।



















