মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিং এবং তানজিদ হাসান তামিমের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ের মাধ্যমে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা। গতির ঝড়ে একাই ৫ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপকে ১১৪ রানে গুঁড়িয়ে দেন নাহিদ রানা।
নাহিদ রানার রেকর্ড ‘ফাইফার’ ও পাকিস্তানের ব্যাটিং বিপর্যয়
ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। দুই অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন ও মোস্তাফিজ রান আটকে রাখার পর আক্রমণে এসেই তান্ডব শুরু করেন নাহিদ রানা।
- দশম ওভারে প্রথম আঘাত: ওপেনার ফারহানকে (২৭) ফিরিয়ে ব্রেকথ্রু আনেন নাহিদ।
- টানা ৩ ওভারে ৩ উইকেট: নিজের পরের দুই ওভারে শামিল হোসেন ও মাজ সাদকাতকে ফিরিয়ে পাকিস্তানের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন তিনি।
- রিজওয়ান ও সালমানের বিদায়: মোহাম্মদ রিজওয়ান ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আলি আগাকে আউট করে ক্যারিয়ারের প্রথম ‘ফাইফার’ (৫ উইকেট) পূর্ণ করেন এই তরুণ গতিদানব।
- মিরাজের স্পিন জাদু: অধিনায়ক মিরাজও পিছিয়ে ছিলেন না; তিনি হুসাইন তালাত ও শাহিন আফ্রিদিসহ গুরুত্বপূর্ণ ৩টি উইকেট তুলে নেন। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ফাহিম আশরাফ।
তানজিদ তামিমের ফিফটি ও সহজ জয়
১১৫ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ মাত্র ১৫.১ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।
- শুরুতে ধাক্কা: তৃতীয় ওভারে ওপেনার সাইফ হাসান (৪) আউট হলে কিছুটা চাপ তৈরি হয়।
- শান্ত-তামিম জুটি: নাজমুল হোসেন শান্ত এবং তানজিদ হাসান তামিম মিলে ৩৮ বলে ৫০ রানের জুটি গড়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন।
- তামিমের তান্ডব: তানজিদ তামিম মাত্র ৩২ বলে নিজের ক্যারিয়ারের পঞ্চম অর্ধশতক পূর্ণ করেন। তিনি ৪২ বলে ৬৭ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন।
- শান্ত ও লিটনের ভূমিকা: শান্ত ২৭ রান করে আউট হলেও লিটন দাসকে নিয়ে বাকি পথটুকু অনায়াসেই পাড়ি দেন তামিম।
ম্যাচ সামারি
| দল | স্কোর | সেরা পারফর্মার |
| পাকিস্তান | ১১৪/১০ (৩০.৪ ওভার) | ফাহিম আশরাফ (৩৭), নাহিদ রানা (৫/?) |
| বাংলাদেশ | ১১৫/২ (১৫.১ ওভার) | তানজিদ তামিম (৬৭*), নাজমুল শান্ত (২৭) |
ফলাফল: বাংলাদেশ ৮ উইকেটে জয়ী।



















