মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ উত্তেজনার মধ্যেই বাহরাইনের একটি হোটেলে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার (১০ মার্চ ২০২৬) ‘তেহরান টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ওই হোটেলটিতে মার্কিন সৈন্যরা অবস্থান করছিল এবং সেই লক্ষ্যবস্তুতেই ইরান এই হামলা পরিচালনা করেছে। তবে এই হামলায় এখন পর্যন্ত কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কতজন হতাহত হয়েছেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ‘অগ্নিগর্ভ’ হয়ে উঠেছে। ইরান এর আগে ঘোষণা দিয়েছিল যে, তাদের ওপর হামলার প্রতিটি পদক্ষেপের কঠোর জবাব দেওয়া হবে। সেই ধারাবাহিকতায় গত কয়েক দিনে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ইরান ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। বাহরাইনের এই হামলাটি সেই প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপেরই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।
চলমান পরিস্থিতির মূল পয়েন্টগুলো:
- টার্গেট: বাহরাইনে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক সদস্য ও তাদের আবাসন।
- পাল্টা ব্যবস্থা: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র জবাবে ইরান তাদের প্রক্সি বাহিনী ও নিজস্ব ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে পাল্টা আঘাত হানছে।
- আঞ্চলিক উদ্বেগ: বাহরাইনের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সামরিক কেন্দ্রে হামলার ফলে লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তার ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে।
তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি থাকা পর্যন্ত তাদের এই আক্রমণাত্মক অবস্থান বজায় থাকবে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ইরানের সামরিক সক্ষমতা কমে আসছে, যদিও বর্তমান পরিস্থিতি এবং এই ড্রোন হামলা ভিন্ন সংকেত দিচ্ছে।
সূত্র: তেহরান টাইমস, ডন নিউজ



















