শনিবার , ৭ মার্চ ২০২৬ | ২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

দেশে মজুত ডিজেল, পেট্রল ও অকটেন কতদিন চলবে?

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
মার্চ ৭, ২০২৬ ৩:১৪ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টন ব্যবহারযোগ্য জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। পরিশোধিত তেলের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক বড় কোনো সংকট না থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের প্রভাবে অপরিশোধিত তেল আমদানিতে ব্যাঘাত ঘটার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল-গ্যাসের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ ব্যবস্থা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদার প্রায় ১০০ শতাংশই আমদানিনির্ভর, যার ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আসে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে। বাকি ৮০ শতাংশ পরিশোধিত তেল ভারত, চীন, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে সংগ্রহ করা হয়।

বিপিসির বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে ডিজেলের মজুত রয়েছে ১১ দিনের, পেট্রল ১২ দিনের এবং অকটেন ২৫ দিনের চাহিদা পূরণের জন্য পর্যাপ্ত। বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানিয়েছেন, জুন মাস পর্যন্ত প্রিমিয়াম তেলের দাম নির্ধারিত থাকায় বিশ্ববাজারের তাৎক্ষণিক ওঠানামা দেশে বড় প্রভাব ফেলবে না। তবে বিকল্প উৎস খুঁজে বের করা এবং নতুন ক্রয় পরিকল্পনা এখন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। অন্যদিকে, প্রাকৃতিক গ্যাসের ক্ষেত্রেও সংকটের পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে; কারণ দেশে আমদানিকৃত এলএনজির একটি বড় অংশ আসে কাতার থেকে, যারা বর্তমানে উৎপাদন স্থগিত রেখেছে। এটি দেশের শিল্প ও কৃষি খাতের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জ্বালানি বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাণিজ্যিক ও কৃষি খাতের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনে স্পট মার্কেট থেকে চড়া মূল্যে হলেও দ্রুত তেল আমদানির ব্যবস্থা করতে হবে। সিপিডির ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান উৎস বৈচিত্র্য নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। পাশাপাশি এলপিজি খাতেও বড় ধরনের টানাপোড়েন দেখা দিতে পারে, কারণ দেশের বার্ষিক ১৪ লাখ টন এলপিজি চাহিদার পুরোটাই মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বিকল্প সরবরাহ চেইন সচল রাখতে তৎপর রয়েছে।

সর্বশেষ - অপরাধ