জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বিএনপির পাশে শক্ত অবস্থান নিয়েছে তাদের মিত্র রাজনৈতিক দলগুলো। একমাত্র জামায়াতে ইসলামী ছাড়া বিগত যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ও সমমনা সব দল এখন বিএনপির পক্ষে ঐক্যবদ্ধ।
তারা সবাই জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজনের বিপক্ষে, বরং একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের দাবি জানাচ্ছেন। বিএনপির সমর্থিত তিনটি বড় জোটে এখন ৩০টি রাজনৈতিক দল রয়েছে। এর মধ্যে নাগরিক ঐক্য, গণঅধিকার পরিষদ ও গণসংহতি আন্দোলনসহ সাতটি দল নিয়ে গঠিত হয়েছে গণতন্ত্র মঞ্চ; বিশ দলীয় জোট ভেঙে তৈরি হয়েছে ১২ দলীয় জোট, আর জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটে আছে ১১টি দল।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন,
“জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের কোনো সুযোগ নেই। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী একটি শক্তি নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে, তবে তারা সফল হবে না। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব।”
স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম বলেন, জনগণের দরকার একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, জুলাই সনদ নয়। বিএনপি জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে নির্বাচনের জন্য ছাড় দিয়েছে, কিন্তু কেউ কেউ সেটিকে দুর্বলতা মনে করছে।
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র বন্ধে বিএনপি ও গণতন্ত্র মঞ্চ একসঙ্গে কাজ করছে।”
গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, “জনস্বার্থে আমরা বিএনপির সঙ্গে ছিলাম, আছি, ভবিষ্যতেও থাকব।”
এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ জানান, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অবাধ নির্বাচনের পক্ষে তারা।
সিপিবির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, সংবিধানে এখন গণভোটের সুযোগ নেই, তাই দ্রুত সংস্কার করে নির্বাচনের আয়োজনই প্রয়োজনীয়।
বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, “গণভোট জনগণ মেনে নেবে না, আগে জাতীয় নির্বাচন দিন।”
বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন থেকে জাতীয় সরকার গঠন পর্যন্ত সব বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে আমরা একমত। শরিক ও সমমনা দলগুলো বিএনপির পাশে শক্ত অবস্থান নিয়েছে।”



















