বিগত বছরের স্থগিত হওয়া প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা আগামী এপ্রিল মাসে কোরবানি ঈদের আগেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আইনি জটিলতার কারণে গত বছর এই পরীক্ষাটি গ্রহণ করা সম্ভব না হলেও, বর্তমান সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটি সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে।
এবারের বৃত্তি বণ্টনে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করা হবে। মন্ত্রী জানান, মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং বাকি ২০ শতাংশ পাবেন বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তৃণমূল পর্যায়ের সরকারি স্কুলগুলোর মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত করতেই এই কোটা পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়।
এ বছরের নিয়মিত পরীক্ষা ডিসেম্বরে হবে কি না, তা নিয়ে মন্ত্রী নিশ্চিত করে কিছু না বললেও স্থগিত পরীক্ষাটি সুষ্ঠুভাবে শেষ করাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য। ঈদের ছুটির আগেই পরীক্ষা শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীরা উৎসবের সময় কোনো মানসিক চাপে না থাকে। খুব শীঘ্রই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পরীক্ষার বিস্তারিত রুটিন ও কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ করা হবে।



















