ইরানের দক্ষিণ উপকূলে মার্কিন বিমান হামলার তীব্রতা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় হরমোজগান প্রদেশের বান্দার-ই খামির সেতুতে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে. ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ফার্স নিউজের বরাত দিয়ে আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই, ২০২৬) জানানো হয়েছে, এই হামলায় অন্তত ৭ জন নিহত এবং আরও ৯ জন আহত হয়েছেন. আহতদের স্থানীয় জরুরি সেবা বিভাগ ও উদ্ধারকারী চিকিৎসাকর্মীরা দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন. হামলার পর ওই এলাকায় বিশাল উদ্ধার অভিযান শুরু করা হলেও যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত বেসামরিক নাগরিক নিহতের কোনো খবর আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি। এছাড়া নিহতদের পরিচয় কিংবা ঘটনার বিস্তারিত কারণ ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
পেন্টাগনের এই আক্রমণ কেবল সেতু এলাকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসেও নতুন করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম). গত বৃহস্পতিবার (১৬ ১৬ জুলাই, ২০২৬) এক বিশেষ বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, এই অভিযানে বন্দর আব্বাসের পাশে অবস্থিত ইরানের কৌশলগত সামরিক কমান্ড সেন্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, আধুনিক ড্রোন নিয়ন্ত্রণ ইউনিট এবং উপকূলীয় নজরদারি স্থাপনাগুলোকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে.
সেন্টকমের দাবি অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি নির্দেশে এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়েছে. তাদের সামরিক মূল্যায়ন বলছে, চলমান এই বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন এলাকায় ইরানের যুদ্ধ সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে. বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথে চলাচলকারী বেসামরিক ও বাণিজ্যিক নৌযানের ওপর ইরানের নিয়মিত বৈরী আচরণের সক্ষমতা কমিয়ে আনাই যুক্তরাষ্ট্রের এই ব্যাপক সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্য.



















