২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সংঘটিত নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ১৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’-এ বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাণীতে তিনি উল্লেখ করেছেন, এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী গভীর ষড়যন্ত্র সক্রিয় ছিল। প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, ৫ আগস্ট ২০২৪-এ দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকেই এই দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে যথাযোগ্য গুরুত্বের সাথে পালিত হচ্ছে। তিনি ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ শহীদ হওয়া মোট ৭৪ জনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বিগত দেড় দশকে পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে নানা অপতথ্য ও মিথ্যাচারের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও উদ্দেশ্য এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট। বিচারাধীন বিষয় হওয়ায় মামলার বিস্তারিত নিয়ে মন্তব্য না করলেও তিনি নাগরিক সমাজকে এই ঘটনার নেপথ্যের দেশবিরোধী তৎপরতা সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সম্মান ও বীরত্বের প্রতীক, যাকে দুর্বল করাই ছিল পিলখানা ষড়যন্ত্রের অন্যতম লক্ষ্য।
বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর ওপর ভবিষ্যতে যেন কোনো ষড়যন্ত্র না হতে পারে, সেজন্য দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি মনে করেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো চক্রান্ত রুখে দাঁড়ানোই হওয়া উচিত এই দিবসের মূল প্রত্যয়। বর্তমান সরকার পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এবং শহীদ পরিবারগুলোর সম্মান পুনরুদ্ধারে অঙ্গীকারবদ্ধ।



















