প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নিয়ে অনিশ্চয়তা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) শপথ নিতে যাচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভা। তবে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঠিক কোথায় উঠবেন, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত নয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। গণভবন বর্তমানে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় সেটি আর প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থাকছে না। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি বর্তমান প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’-কে তাঁর বাসভবন হিসেবে বেছে নিতে পারেন। তবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করেই সংস্কার কাজ শুরু হবে।
বিরোধীদলীয় নেতার জন্য ২৯ মিন্টো রোড
রাজধানীর মিন্টো রোডের ২৯ নম্বর বাংলোটি ঐতিহাসিকভাবে বিরোধীদলীয় নেতার জন্য নির্ধারিত। এর আগে এখানে খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনাও থেকেছেন। এবার সেই বাসভবনের বাসিন্দা হতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, যার দল ৬৮টি আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। আবাসন পরিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই বাসভবনটি বর্তমানে প্রায় প্রস্তুত।
মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য ৭১টি বাসা
রাজধানীর বেইলি রোড, মিন্টো রোড, হেয়ার রোড এবং ধানমন্ডি এলাকায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য মোট ৭১টি বাংলো ও অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক বাসা বর্তমানে খালি এবং বসবাসের উপযোগী। বাকি বাসাগুলোতে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা অবস্থান করছেন। তবে ইতিমধ্যেই উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তাঁদের সরকারি বাসভবন ছেড়ে দিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। নতুন মন্ত্রীরা শপথ নেওয়ার পর একটি বিশেষ কমিটির মাধ্যমে এই বাসাগুলো বরাদ্দ দেওয়া হবে। কোনো কারণে বাসা বুঝে পেতে দেরি হলে বিধি অনুযায়ী তাঁরা সরকারি বাড়ি ভাড়া ভাতা পাবেন।
সরকারি আবাসন বন্টনের বর্তমান চিত্র:
| পদের নাম | নির্ধারিত এলাকা | বর্তমান অবস্থা |
| প্রধানমন্ত্রী | যমুনা (সম্ভাব্য) | চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় |
| বিরোধীদলীয় নেতা | ২৯ মিন্টো রোড | ডা. শফিকুর রহমানের জন্য প্রস্তুত |
| মন্ত্রী ও সমমর্যাদা | মিন্টো রোড ও হেয়ার রোড | উপদেষ্টারা ছাড়লে বরাদ্দ শুরু হবে |
| এমপিদের আবাসন | সংসদ সদস্য ভবন (ন্যাম) | মানিক মিয়া এভিনিউ ও নাখালপাড়া |


















