গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে পাঁচ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে ইসরায়েল। সোমবার সন্ধ্যায় মুক্তিপ্রাপ্তদের চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য আল-আকসা হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির পর প্রথমবারের মতো অজানা ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দিয়েছে ইসরায়েল। মুক্তিপ্রাপ্তদের স্বজনরা হাসপাতালে জড়ো হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। কেউ কেউ এখনও নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের খোঁজে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, ইসরায়েলি কারাগারে হাজারো ফিলিস্তিনি বিচার ছাড়াই আটক রয়েছেন, যা ‘ইচ্ছাকৃত আটক’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে সোমবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির মাধ্যমে ইসরায়েল থেকে আরও ৪৫ ফিলিস্তিনির মরদেহ ফেরত এসেছে। এ নিয়ে যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে ফেরত পাওয়া মরদেহের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭০-এ।
গাজার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফেরত আসা বহু মরদেহে নির্যাতনের চিহ্ন, বাঁধা হাত, চোখে কাপড় ও বিকৃত মুখের প্রমাণ মিলেছে। শনাক্ত না হওয়া মরদেহগুলো গণকবরে দাফন করা হচ্ছে।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা অব্যাহত রয়েছে। রাফার উত্তরে গোলায় তিন ফিলিস্তিনি নিহত এবং গাজার পূর্বাঞ্চলে এক শিশুসহ তিনজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, ইসরায়েল এখনো কোয়াডকপ্টার ড্রোন ব্যবহার করে আংশিক ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনে গ্রেনেড নিক্ষেপ করছে, যা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করেছে কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: আল-জাজিরা



















