ভোটার পরিবহনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন কোনো প্রার্থী, তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট বা সমর্থক ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনার জন্য কোনো প্রকার যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেন না। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপ-সচিব মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে রিটার্নিং অফিসারদের এই কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরিপত্রে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কোনো প্রার্থী যেন ভোটারদের প্রভাবিত করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করা রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব। আইন লঙ্ঘন করে ভোটারদের জন্য যানবাহনের ব্যবস্থা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ব্যক্তিগত কার বা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ভোটাররা নিজ উদ্যোগে কেন্দ্রে যাতায়াত করতে পারবেন।
ভোটকেন্দ্রের পরিধি ও প্রচারণায় বিধিনিষেধ নির্বাচনী আচরণবিধি রক্ষায় ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে কোনো প্রার্থী বা তাঁর সমর্থক কোনো প্রকার নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপন করতে পারবেন না। এছাড়া ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকা থেকে সব ধরনের পোস্টার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভোট শুরুর আগে প্রচারণা চালানো হলে তা আচরণবিধির লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে। শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে এই পরিধি ও প্রচারণামূলক বিধিনিষেধ কঠোরভাবে বলবৎ থাকবে।
ব্যালট বাক্স ব্যবস্থাপনা ও স্বচ্ছতা ভোটগ্রহণের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ভোটকক্ষে কেবলমাত্র স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। প্রতিটি ভোটকক্ষের জন্য একটি করে এবং পুরো কেন্দ্রের জন্য অতিরিক্ত একটি ব্যালট বাক্স বরাদ্দ থাকবে। পরিপত্রে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনোভাবেই একই সাথে একটি ভোটকক্ষে একাধিক ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা যাবে না। যদি কোনো ব্যালট বাক্স পূর্ণ হয়ে যায়, তবে প্রিজাইডিং অফিসার তা সিলগালা করে সরিয়ে রাখবেন এবং তখনই কেবল অতিরিক্ত বাক্সটি ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করবেন। ইতিমধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কেন্দ্র অনুযায়ী ব্যালট বাক্স পাঠানোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে।



















