বৃহস্পতিবার , ৩০ অক্টোবর ২০২৫ | ২০শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

দেশের পুষ্টি ও অর্থনীতিতে গ্রামীণ নারীর অবদান অপরিসীম: ফরিদা আখতার

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ৩০, ২০২৫ ৪:২৩ অপরাহ্ণ

Spread the love

দেশের পুষ্টি ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতায় গ্রামীণ নারীরা যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন, তা অনস্বীকার্য বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, “গ্রামীণ নারীরা হাঁস-মুরগি, গরু ও ছাগল পালন করে যেমন নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটাচ্ছেন, তেমনি ডিম, দুধ ও মাংস উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের পুষ্টি নিশ্চিত করছেন।”

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘জলবায়ু অভিযোজনে গ্রামীণ নারী’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

ফরিদা আখতার আরও বলেন, “মাইক্রো লেভেলে পুষ্টির প্রধান অবদানকারীরা হচ্ছেন গ্রামীণ নারী। তাদের অবদান দৃশ্যমান করা না গেলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নও অসম্পূর্ণ থাকবে। আমরা যদি তাদের উৎসাহ ও সামান্য সহায়তা দিই, তারা আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবেন।”

জেলেদের ন্যায্য মজুরি প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, দাদন প্রথার কারণে জেলেরা বঞ্চিত হচ্ছেন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি জেলে পরিবারের নারীদের স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান।

বাল্যবিয়ে প্রসঙ্গে ফরিদা আখতার বলেন, “বাল্যবিয়ে রোধ না করতে পারলে গ্রামীণ নারী শক্তিশালী হতে পারবে না। এজন্য জাতীয় পর্যায়ে পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।”

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মো. হযরত আলী, সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ডের উপদলনেতা ক্যাথারিনা কোয়েনিগ, সুইডেন দূতাবাসের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার রেহানা খান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মেহের নিগার ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন-এর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংস্থাটির প্রকল্প কর্মকর্তা তাজওয়ার মাহমিদ।

বক্তারা বলেন, কৃষি উৎপাদন, জলবায়ু অভিযোজন ও টেকসই উন্নয়নে নারীর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তা প্রায়ই অদৃশ্য থাকে। তারা নারী-সংবেদনশীল কৃষি ও জলবায়ু নীতি, ভূমি ও অর্থে সমান প্রবেশাধিকার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেমিনারে নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নারী কৃষকরা অংশ নেন।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত