বৃহস্পতিবার , ৩১ জুলাই ২০২৫ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

নামসর্বস্ব চালের বিক্রি বন্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার, বাজার থেকে সরাতে তিন ধাপের উদ্যোগ

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ৩১, ২০২৫ ৮:০৯ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

দেশের বাজারে ‘মিনিকেট’ ও ‘নাজিরশাইল’ নামে পরিচিত চালের প্রকৃত ধান আদৌ নেই—এ কথা পুনর্ব্যক্ত করে সরকার জানিয়েছে, এইসব চাল মূলত বিআরআই-২৮ ও বিআরআই-২৯ জাতের ধান থেকে উৎপন্ন। কিন্তু বাজারে ভিন্ন ভিন্ন নামে, কখনও ‘সুপার প্রিমিয়াম’, কখনও বা ‘গ্রেড এ’ ট্যাগ দিয়ে প্যাকেটজাত করে চাল বিক্রি করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এতে করে ভোক্তা যেমন প্রতারিত হচ্ছেন, তেমনি প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর একটি তিন ধাপের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
প্রথম ধাপে, জুলাই মাসের মধ্যেই সব ‘অননুমোদিত’ চাল বাজার থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপে, ১ থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাজারে মনিটরিং চালানো হবে প্যাকেট ও ব্র্যান্ডিং পরিবর্তন হয়েছে কিনা তা যাচাই করতে।
তৃতীয় ধাপে, ১৬ আগস্ট থেকে যদি আবার ‘মিনিকেট’ বা ‘নাজিরশাইল’ নামে চাল বিক্রি করা হয়, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খান বলেন, “সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী চালের প্রকৃত ধানের নাম ব্যবহার করেই বাজারজাত করতে হবে। মিনিকেট নামে চাল বিক্রি করা সম্পূর্ণ বেআইনি। জেলা প্রশাসকদের এসব অননুমোদিত নামের চাল বাজার থেকে সরাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

খাদ্য মন্ত্রণালয় আগেই এই বিষয়ে বিধিমালা জারি করে। ২০২৩ সালে প্রণীত আইন অনুযায়ী, চালের প্যাকেটে প্রকৃত জাতের নাম ছাড়া অন্য নামে ব্র্যান্ডিং করলে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।

বিধিমালার মূল নির্দেশনা অনুযায়ী:

  • মিলিংয়ের পর চালের নাম হতে হবে সংশ্লিষ্ট ধানের নামেই (যেমন: বিআর-২৮ চাল)।
  • ‘মিনিকেট’, ‘কাজললতা’, ‘আশালতা’, ‘রাঁধুনি’ ইত্যাদি কাল্পনিক নাম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

এছাড়া বাজারে প্রচলিত কয়েক ডজন নাম যেমন: “নাজিরশাইল ডায়মন্ড”, “নাজির সুপার প্রিমিয়াম”, “জারা”, “উৎসব হাসকি”, “রানা”, “আকিজ”, “এসিআই”, “সায়েম” ও “বাঁশরি”—সবই ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করার কৌশল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সরকারের নতুন উদ্যোগে যদি নকল ব্র্যান্ডিং ও নাম ব্যবহার বন্ধ করা যায়, তাহলে বাজারে চালের প্রকৃত মান ও দামের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

থাইল্যান্ডে মাদক পার্টি থেকে চার ইসরায়েলি সেনা গ্রেফতার

তেহরানে চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলা, পালটা জবাব দিচ্ছে ইরানও

এনবিআর কার্যালয়ে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা, আন্দোলনকারীদের ক্ষোভ

ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানী ঢাকা, নেই যানজট

নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও নারী নেত্রীদের সঙ্গে সংলাপে বসছে ইসি মঙ্গলবার

পদবঞ্চিতদের তান্ডবে নিরাপত্তাহীন সাধারণ শিক্ষার্থী পক্ষে অন্যান্য সংগঠন 

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া: আজ মিডিয়ার মুখোমুখি হচ্ছেন তারেক রহমান

এক মাসের মধ্যে রামিসার খুনিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে:প্রধানমন্ত্রী

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে: ট্রাম্প

টিটিপি আস্তানায় পাকিস্তানি অভিযানে নিহত ৫৪