সোমবার , ২১ জুলাই ২০২৫ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

বিপৎসীমার কাছাকাছি তিস্তার পানি, বন্যার আশঙ্কায় শতাধিক চরবাসী

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ২১, ২০২৫ ৫:৫০ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। এতে তিস্তা অববাহিকায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, এবং শতাধিক চরের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পানি বৃদ্ধির ফলে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের ফসলের খেত তলিয়ে যেতে শুরু করেছে।

গতকাল রবিবার (১৯ জুলাই) তিস্তা ব্যারাজ কন্ট্রোল রুম ইনচার্জ নুরুল ইসলাম জানান, উজানের ঢলে রবিবার ভোর থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে। উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় পানি যে কোনো সময় বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্পের বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, “পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। আমরা সতর্ক আছি। চরের মানুষকে আমরা সতর্ক থাকতে বলেছি।”

তিস্তা নদী এলাকার বাসিন্দা কুদ্দুস মিয়া বলেন, “আমরা নদী পাড়ের মানুষ সবসময় আতঙ্কে থাকি। বন্যা, খরা, নদী ভাঙনের সঙ্গে যুদ্ধ করে আমাদের জীবন অতিবাহিত হয়। বিশেষ করে ভারতের উজানে যে গেট রয়েছে তার নাম গজলডোবা। এটি পশ্চিমবঙ্গ সরকার নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। খরা মৌসুমে গেটটি বন্ধ রাখা হয় আর বর্ষা এলেই থেমে থেমে পানি ছেড়ে দিয়ে আমাদেরকে ভাসিয়ে দেয় ভারত। কারণ বৃষ্টির পানিতে বন্যা হয় না, বন্যা হয় ভারতের উজানের পানিতে।” লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান বাদল বলেন, উজানের ঢলে চরের অনেক ফসল ইতোমধ্যে তলিয়ে গেছে।

তিস্তা সেচ খালের বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত (নীলফামারী প্রতিনিধি) নীলফামারী জেলা সদর উপজেলার তিস্তা সেচ প্রকল্পের বামতীর বাঁধ ভেঙে রোপা আমনের খেতসহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদরের কালিতলা ভাট্টাতলি নামক স্থানে বামতীর বাঁধ ভেঙে যায়। এতে তিস্তার দিনাজপুর সেচ খালের চাঁদেরহাট স্লুইচ গেট থেকে নীলফামারী সদর, দিনাজপুরের খানসামা ও চিরিরবন্দর এলাকায় খরিপ-২ মৌসুমের সেচের পানি প্রদান বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভাগ (পাউবোর) নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান বলেন, “খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। ধারণা করা হচ্ছে রাতে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাড়ের মাটির ওপর চাপ পড়ে যায়। এতে ইঁদুরের গর্তে পানি ঢুকে পাড়ের ৩০ ফিট বিধ্বস্ত হয়।” প্রাথমিকভাবে সেখানে জিও ব্যাগ ও মাটি দিয়ে ভাঙা অংশে মেরামত করা হচ্ছে।

কালিতলা ভাট্টাতলি গ্রামের কৃষক ইউনুছ আলী বলেন, “গত কয়েক দিন ধরে বৃষ্টিপাত না থাকায় সেচের পানির চাহিদা বৃদ্ধি পায়। ফলে দিনাজপুর সেচ ক্যানেলে পানি চাপ বেড়ে যায়। ওই সেচের পানি দিয়ে কৃষকরা রোপা আমন চারা রোপণ করছিল। শনিবার রাতে এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার ফলে ইঁদুরের গর্তে ক্যানেল পাড়ের বাঁধে ফাটল ধরে। গতকাল সকালের দিকে হঠাৎ করে পানির চাপে এটি বিধ্বস্ত হয়।” এতে এলাকার প্রায় ৩০ একর রোপা আমন খেত এবং ঢ্যাঁড়শ, মরিচ, বিভিন্ন শাক-সবজির খেত পানিতে তলিয়ে গেছে। অপর কৃষক মোজাম্মেল আলী বলেন, “আমার ৫ বিঘা জমির রোপা আমন খেত পানির নিচে ডুবে গেছে।”

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

বাংলাদেশে ফ্রান্সের নতুন রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারলে

ঈদের আগেই বেতন-বোনাস পরিশোধের নির্দেশ : শ্রমমন্ত্রীর

ইরানে অস্ত্র সরবরাহ না করতে চীনকে হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প

কর ফাঁকি স্বীকারে ব্রিটেনের উপপ্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

গ্রামীণ ব্যাংকের সকল আয় কর অব্যাহতি দিল সরকার

‘কুমিল্লা’ নামেই বিভাগ করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের

ইরানের ওপর হামলায় ব্রিটেনের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার

লেবাননে ইসরায়েলি অভিযান জোরদার, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি

শেখ হাসিনাকে কেন ফেরত দেবে না ভারত, আল–জাজিরার বিশ্লেষণ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম কাজ হচ্ছে বাংলাদেশে ধর্ষণ বন্ধ করা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী