বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ৫১ মিনিটে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে প্রায় ৪৬২ কিলোমিটার পূর্বে মিয়ানমার অঞ্চলে। মাটির ১২৯ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানা এই কম্পনটি মাঝারি মাত্রার হলেও দেশের পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দারা স্পষ্টত এটি অনুভব করেছেন।
আন্তর্জাতিক ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইএমএসসি-র তথ্যমতে, মিয়ানমারের মোনিওয়া শহর থেকে ১১০ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে এবং মাওলাইক শহর থেকে ৭৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে ছিল এর কেন্দ্রস্থল। ভূমিকম্পের পর পর ঢাকা ও চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আতঙ্ক প্রকাশ করেন। তবে গভীর উৎপত্তিস্থল এবং দূরত্বের কারণে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের বড় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা নিশ্চিত করেছেন যে, কেন্দ্রস্থলটি আগারগাঁও অফিস থেকে অনেকটা দূরে হওয়ায় কম্পনটি মৃদু হিসেবে পরিলক্ষিত হয়েছে। ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সবাইকে সতর্ক থাকার এবং আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে বহুতল ভবনে বসবাসকারীদের ভূমিকম্প পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সচেতন থাকার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।



















