বৃহস্পতিবার , ২৯ অক্টোবর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ২৯, ২০২৬ ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগে প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর হাতে নতুন পাঠ্যবই পৌঁছে দিতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের সব বই উপজেলা পর্যায়ে সরবরাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। তবে মুদ্রণকাজে অগ্রগতি থাকলেও অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বই ছাপায় পিছিয়ে রয়েছে বেশ কয়েকটি ছাপাখানা।

এনসিটিবির ২৮ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইবতেদায়ি ও মাধ্যমিক স্তর মিলিয়ে বই ছাপার অগ্রগতি ৫৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ। অন্যদিকে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরে গড়ে ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ বই ছাপা হয়েছে।

এবার ১১৩টি মুদ্রণপ্রতিষ্ঠান ৬২৩টি লটে বই ছাপার কাজ পেয়েছে। প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ইবতেদায়ি, দাখিল, ভোকেশনাল ও কারিগরি এবং মাধ্যমিক স্তরে মোট ৩০ কোটি ৭৭ লাখ ৯৮ হাজার ১০১টি বই ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার এক মাস আগে মুদ্রণকাজ শুরু হয়েছে।

কোন স্তরে কত বই ছাপা হয়েছে

এনসিটিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাক-প্রাথমিক স্তরের ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ৬৪০টি বইয়ের মধ্যে ৫৬ লাখ ২৮ হাজার ১৫৩টি ছাপা হয়েছে। এ স্তরে মুদ্রণ অগ্রগতি ৯৮ দশমিক ২১ শতাংশ।

প্রাথমিকের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ৭ কোটি ৬০ লাখ ৯৭ হাজার ৯৬টি বইয়ের মধ্যে ছাপা হয়েছে ৬ কোটি ৬৬ লাখ ২৯ হাজার ১৭৩টি। অর্থাৎ, এ স্তরে মুদ্রণ অগ্রগতি ৮৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

ইবতেদায়ি স্তরের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ৪ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৫৭৪টি বইয়ের মধ্যে ছাপা হয়েছে ২ কোটি ৬৭ লাখ ১০ হাজার ৭৮৪টি। এ ক্ষেত্রে অগ্রগতি ৬৪ দশমিক ১৫ শতাংশ।

অন্যদিকে মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ১৭ কোটি ৯৫ লাখ ৪৩ হাজার ১৮টি বইয়ের মধ্যে ছাপা হয়েছে ৯ কোটি ১৮ লাখ ১৭ হাজার ৫৬টি। এ স্তরে মুদ্রণ অগ্রগতি ৫১ দশমিক ১৮ শতাংশ।

পিছিয়ে থাকা ছাপাখানাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানান, অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বই ছাপার গতি তুলনামূলক কম। কয়েকটি লটে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

তিনি জানান, কাজের গতি কম থাকায় ৩২টি প্রেসকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে পিছিয়ে থাকা প্রেসের কাজ বাতিল করে অন্য প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হবে।

মান নিশ্চিত করতে ৫৩টি মনিটরিং টিম

বইয়ের মান নিশ্চিত করতে এনসিটিবি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে ৫৩টি মনিটরিং টিম কাজ করছে। নিম্নমানের বই ও ফর্মা বাতিল করা হচ্ছে। এনসিটিবির তথ্যমতে, বিভিন্ন প্রেসের ৯ লাখ ফর্মা ও ১২ হাজার নিম্নমানের বই বাতিল করা হয়েছে।

এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাসের টুকু জানান, রোডম্যাপ অনুযায়ী বই সরবরাহের কাজ চলছে। চলতি মাসের মধ্যে প্রাথমিক স্তরের বইয়ের মুদ্রণকাজ ৯৮ থেকে ৯৯ শতাংশ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মাধ্যমিক স্তরের বই ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ৯৫ শতাংশের বেশি সরবরাহের লক্ষ্য রয়েছে।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, উপজেলা পর্যায়ে নিম্নমানের বই সরবরাহ বরদাশত করা হবে না। নির্ধারিত সময়ে মানসম্মত বই সরবরাহে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

এক ব্যক্তির ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রিত্বের বিপক্ষে বিএনপি

তারেক রহমানের ভোটার হওয়া কমিশনের সিদ্ধান্তে সম্ভব: ইসি

ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে অভিযানে মরছে না মশা, উপায় খুঁজতে কমিটি

নানিবাড়ির স্বজনদের কাছে ভোটের সমর্থন চাইলেন তারেক রহমান

এক সাক্ষাৎকারে শ্রদ্ধা বলেন

গোপালগঞ্জে তীব্র সংঘর্ষ, এনসিপি’র গাড়িবহরে হামলা; নিয়ন্ত্রণে মাঠে বিজিবি

খাল খনন কর্মসূচি: জিয়াউর রহমানের উদ্যোগ থেকে বর্তমান পরিকল্পনা

চিকিৎসাধীন বুয়েট শিক্ষার্থীদের খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিরা

কাতারের জলসীমায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত: উদ্ধার অভিযান চলছে

ইলেকট্রিক স্কুল বাসে শুল্কমুক্ত আমদানির সুযোগ