শনিবার , ২৪ অক্টোবর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

৯ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে মই, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ২৪, ২০২৬ ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে সেতু। কিন্তু সেতুতে ওঠার জন্য নেই প্রয়োজনীয় সংযোগ সড়ক। তাই নিচে মাটি ফেলে তৈরি করা হয়েছে উঁচু ঢাল, আর সেতুতে ওঠানামার জন্য বসানো হয়েছে মই। এই মই বেয়েই প্রতিদিন সেতু পারাপার হতে হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষকে।

অভিনব এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে গাজীপুরের শ্রীপুর ও ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের মধ্যবর্তী কাওরাইদ এলাকায় সুতিয়া নদীর ওপর নির্মিত সেতুটিকে ঘিরে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় স্বাভাবিকভাবে এটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ফলে প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সুতিয়া নদীর ওপর সেতুটির নির্মাণকাজ ২০২২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। পরে ৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মূল সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় স্থানীয়দের দুর্ভোগ কাটেনি।

সেতুতে ওঠার পথটি সংযোগ সড়ক থেকে প্রায় ১৫ ফুট উঁচু হওয়ায় সামান্য বৃষ্টি হলেই মাটির ঢাল পিচ্ছিল হয়ে পড়ে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। অথচ আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থীসহ বহু মানুষকে প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মঞ্জুরুল করিম বলেন, ‘পুরো ব্রিজের কাজ কমপ্লিট হয়ে গেছে। এখন শুধু সংযোগ সড়কের জন্য সমস্যা হচ্ছে। বাধ্য হয়ে এখান দিয়েই মানুষকে চলাচল করতে হচ্ছে। এটা তো ঝুঁকিপূর্ণ, দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। প্রায় সব শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাধারণ মানুষ এখান দিয়ে যাতায়াত করেন। বৃষ্টি হলে ব্রিজ দিয়ে চলাচল খুব কষ্টকর হয়।’

শিক্ষার্থী নাসরিন বেগম বলেন, ‘আগে অনেক উঁচু ছিল, রডের মতো কিছু দেওয়া ছিল, সেখান দিয়ে সেতুতে উঠতাম। এখান দিয়ে আমরা চলাচল করতে পারতাম না। এখন মাটি দেওয়া হয়েছে, মই দেওয়া হয়েছে। তবে এ রাস্তার বিকল্প আছে রেলওয়ে সেতু। সেখান দিয়ে চলাচলও তো খুব ঝুঁকিপূর্ণ। তাই ব্রিজটির কাজ শেষ করা হলে আমাদের যাতায়াত অনেক সহজ হতো।’

এ বিষয়ে গাজীপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে। প্রকল্পটি ১০০ মিটারের কম হওয়ায় জমি অধিগ্রহণের জন্য কোনো অর্থ বরাদ্দ ছিল না। তবে সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানান তিনি।

সেতুটি নির্মাণের পরও সংযোগ সড়ক না থাকায় স্থানীয়দের দুর্ভোগ কবে নাগাদ শেষ হবে, এখন সেই অপেক্ষায় রয়েছেন এলাকাবাসী।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

ভুল সংশোধনে ৬৫ কমিটি, ১৮ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা

রেলওয়ের আধুনিকায়নে ভারত থেকে আসছে ২০০ কোচ: সংসদে সেতুমন্ত্রীর ঘোষণা

ইরানের কাছে হরমুজ প্রণালিতে হামলা বন্ধের অঙ্গীকার চায় যুক্তরাষ্ট্র

ধামরাইয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের জিম্মি করে কারখানায় ডাকাতি, ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জামায়াতের ইফতারের দাওয়াত

কার্গো আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের অতিরিক্ত ফ্লাইট চার্জ মওকুফ

হাদি তুমি আমাদের বুকের মধ্যে আছো: প্রধান উপদেষ্টা

সাইফের ওপর ছুরিকাঘাত, কোথায় ছিলেন কারিনা?

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান-উপসাগরীয় দেশগুলোর বৈঠক স্থগিত

শেখ হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা কাল