বুধবার , ২৯ জুলাই ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেফতার

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ২৯, ২০২৬ ৪:৩৯ অপরাহ্ণ

Spread the love

ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় তিন সহযোগীসহ চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও দুবাই ফেরত চাঁদাবাজ ‘ডেভিড ইমন’কে গ্রেফতার করেছে যশোর কোতোয়ালি থানা ও ডিবি পুলিশ।

আজ বুধবার (২৯ জুলাই, ২০২৬) ভোর পৌনে ৪টার দিকে যশোর সদরের যশোর-ঢাকা মহাসড়কের ঝুমঝুমপুর সীমান্তমুখী চেকপোস্ট থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। সকাল ১০টায় তাদের চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. মিরাজুল ইসলাম।

ঘটনার নেপথ্য, অপরাধের চিত্র ও পুলিশি অভিযানের মূল বিষয়সমূহ:

  • সীমান্তমুখী চেকপোস্টের অভিযান: সিএমপির সুনির্দিষ্ট রিকুইজিশন ও প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে যশোর ডিবি ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের ৯টি টিম ঝুমঝুমপুর এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয়। ভোররাতে এক যৌথ চেকপোস্ট তল্লাশিতে ভারতে পালানোর প্রাক্কালে তিন সঙ্গীসহ ধরা পড়েন ডেভিড ইমন।
  • সাজ্জাদ গ্রুপের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’: চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির সন্তান ডেভিড ইমন নগরের কুখ্যাত সন্ত্রাসী সাজ্জাদ গ্রুপে যোগ দিয়ে উত্থান লাভ করেন। অল্প সময়েই সাজ্জাদের প্রধান সহযোগী বা ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ হিসেবে পরিচিতি পান তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে নগরে একাধিক হত্যা মামলা ও অস্ত্র মামলা রয়েছে।
  • দুবাই কেন্দ্রিক চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট: ইমন দেশ ছেড়ে দুবাইয়ে আত্মগোপন করেও হোয়াটসঅ্যাপ ও ভার্চ্যুয়াল কলে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের কাছে অঢেল চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা না দিলে তাঁর সন্ত্রাসী ক্যাডার বাহিনী দিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের মতো অপরাধমূলক ঘটনা ঘটানো হতো।
  • ডিডিএন কার্যালয়ে তাণ্ডব: সম্প্রতি গত ১১ জুলাই চট্টগ্রামের চকবাজারের ‘ডিডিএন’ নামের একটি ইন্টারনেট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীর কাছে ২ কোটি টাকা এককালীন ও প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন ডেভিড ইমন। দাবি না মানায় ১৩ জুলাই সেখানে ১৫-২০ জনের সশস্ত্র দল ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চলায় এবং প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে। এমনকি অফিস থেকে কর্মচারীদের বেতনের জন্য রাখা প্রায় ৩৫ লাখ টাকা লুটে নেওয়া হয়।
  • ব্যাপক পুলিশি তৎপরতা: ডিডিএন তাণ্ডবের পর সিএমপি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ ফয়সল আহম্মেদ অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানের ঘোষণা দেন। এ ঘটনায় ইতোপূর্বে র‍্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ২০ জন গ্রেফতার হয়েছিল। সর্বশেষ ইমনের এই গ্রেফতারের মাধ্যমে এই চক্রের মূল চালিকাশক্তিকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হলো।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সিএমপি ডেভিড ইমন ও তাঁর সঙ্গীদের আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড আবেদন প্রক্রিয়াজাত করছে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত