রবিবার , ১৪ জুন ২০২৬ | ১লা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত সোহেল-স্বপ্নার জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ১৪, ২০২৬ ৭:৫৯ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের করা জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট. রবিবার (১৪ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে আবেদন দুটি গ্রহণ করে এই আদেশ দেন.

হাইকোর্টের কার্যতালিকা ও ডেথ রেফারেন্স

হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দুটির গ্রহণযোগ্যতার শুনানির প্রক্রিয়াটি সুনির্দিষ্ট কার্যতালিকা অনুযায়ী সম্পন্ন করা হয়:

  • কার্যতালিকার ক্রমিক: আপিলের বিষয়টি গ্রহণযোগ্যতার শুনানির জন্য আজ আদালতের দৈনিক কার্য তালিকায় (কজ লিস্ট) সোহেল রানার করা জেল আপিলটি ৩৪ নম্বরে এবং স্বপ্না আক্তারের আবেদনটি ৩৫ নম্বর ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত ছিল. তারই ধারাবাহিকতায় আজ সেটির আনুষ্ঠানিক শুনানি অনুষ্ঠিত হয়.
  • নথি প্রাপ্তি: এর আগে এই নৃশংস শিশু হত্যার ঘটনায় দণ্ডিত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিতকরণ)-এর যাবতীয় প্রয়োজনীয় নথি বিচারিক আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগে এসে পৌঁছায়.

বিচারিক আদালতের রায় ও জরিমানার বিবরণ

গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই স্পর্শকাতর মামলার রায় ঘোষণা করেছিলেন. ট্রাইব্যুনাল রায়ে আসামিদের সাজা ও জরিমানার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন:

দণ্ডিত আসামিআদালতের রায় ও শাস্তির বিবরণজরিমানার পরিমাণ ও আদায়ের নিয়ম
সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা মোতাবেক আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে. তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগের চূড়ান্ত অনুমোদন সাপেক্ষে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে.ট্রাইব্যুনালের রায়ে প্রধান আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং সহযোগী স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে.
ভুক্তভোগীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণজরিমানার এই সমস্ত টাকা নিহত শিশুর আইনগত উত্তরাধিকারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে. যদি আসামিরা জরিমানার টাকা পরিশোধ না করে, তবে কালেক্টরেট অফিসকে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও তা বিক্রি করে শিশুর পরিবারকে প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে.

রায়ে আদালত আরও উল্লেখ করেছেন যে, আসামিরা চাইলে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারার বিধান সাপেক্ষে রায় ঘোষণার তারিখ থেকে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়মিত আপিল দায়ের করতে পারবেন.

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত