পড়াশোনা শেষ করে সাফল্যের ঝুলি নিয়ে দেশে ফেরার কথা ছিল নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির। কিন্তু সব স্বপ্ন ও সম্ভাবনা এক নির্মম বাস্তবতায় থমকে গেল। শনিবার (৯ মে) সকালে কফিনবন্দি হয়ে দেশে ফিরতে হলো এই মেধাবী শিক্ষার্থীকে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ পৌঁছানোর পর স্বজনদের আহাজারি আর বুক ফাটা আর্তনাদে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
শেষ যাত্রা ও দাফনের প্রস্তুতি সকাল ৯টা ১০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে বৃষ্টির মরদেহ ঢাকায় অবতরণ করে। এর আগে থেকেই বিমানবন্দরে অপেক্ষায় ছিলেন তাঁর শোকে পাথর হওয়া বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনরা। বিমানবন্দর থেকে তাঁর মরদেহ সরাসরি মাদারীপুরের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে বাদ আসর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাদা-দাদির পাশে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে। উল্লেখ্য, এই একই ঘটনায় নিহত অন্য শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ গত ৪ মে দেশে পৌঁছেছিল।
হত্যাকাণ্ড ও বিচার প্রক্রিয়া নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী বৃষ্টি এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জামিল আহমেদ লিমন দুজনেই ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত ছিলেন। গত ১৬ এপ্রিল নিখোঁজ হওয়ার পর জানা যায় তাঁরা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জামিলের মার্কিন রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ফার্স্ট ডিগ্রি হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। মরদেহ দেশে পাঠানোর সময় মায়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রতিনিধিরা সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।



















