তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও সমান সংখ্যক টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে ২৬ জনের এক বিশাল বহর নিয়ে গতকাল রাতে ঢাকায় পৌঁছেছে নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল। রাত ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে কিউই ক্রিকেটারদের নির্ধারিত টিম হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। এই বহরের মধ্যে ২৩ জন সরাসরি নিউজিল্যান্ড থেকে এলেও বাকি ৩ জন সদস্য শ্রীলঙ্কা থেকে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন, যারা নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের হয়ে লঙ্কানদের বিপক্ষে সিরিজে অংশ নিচ্ছিলেন। খেলোয়াড়, কোচ এবং টিম ম্যানেজমেন্টসহ এই শক্তিশালী দলটি আজ থেকেই তাদের প্রস্তুতি শুরু করবে বলে বিসিবি সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার এই দ্বিপাক্ষিক সিরিজটি শুরু হবে আগামী ১৭ এপ্রিল মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচের মধ্য দিয়ে। একই ভেন্যুতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে ২০ এপ্রিল। এরপর দুই দল বন্দরনগরী চট্টগ্রামে পাড়ি জমাবে, যেখানে ২৩ এপ্রিল সিরিজের শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। ওয়ানডে সিরিজের লড়াই শেষে একই মাঠে (জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম) ২৭ ও ২৯ এপ্রিল টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি খেলতে দুই দল আবার ঢাকায় ফিরবে এবং ২ মে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে চূড়ান্ত লড়াইয়ের মাধ্যমে এই সফরের সমাপ্তি ঘটবে।
পহেলা বৈশাখের উৎসবের আমেজের মধ্যেই কিউইদের এই আগমন দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে বাড়তি উন্মাদনা যোগ করেছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নানা চ্যালেঞ্জের মাঝেও এই সিরিজ সফলভাবে আয়োজন করাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা। বিসিবি জানিয়েছে, দর্শকদের নির্বিঘ্নে খেলা দেখার সুযোগ করে দিতে নিরাপত্তা ও যাতায়াত ব্যবস্থায় বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সাফল্যের ধারা বজায় থাকবে কি না, তা দেখতে এখন মুখিয়ে আছেন দেশের কোটি ক্রিকেটপ্রেমী।



















