রাজধানীর কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকায় একটি গ্যাসলাইটার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫ জন শ্রমিকের মৃত্যু ও বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৪ এপ্রিল, ২০২৬) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনা পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ ও নির্দেশনাসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো:
- তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী এই মর্মান্তিক ঘটনার কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পৃথক তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।
- চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ: তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং দগ্ধ ও আহত শ্রমিকদের সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন।
- স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ: প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালকের সঙ্গে সরাসরি ফোনে কথা বলে উদ্ধার অভিযানের খোঁজখবর নিয়েছেন।
- সহায়তা প্রদান: ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় আর্থিক ও সামাজিক সহায়তা প্রদানের জন্য তিনি জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন।
ঘটনার সংক্ষিপ্ত সারণী:
| বিষয় | বিবরণ |
| আগুনের সূত্রপাত | শনিবার দুপুর ১টা ১১ মিনিট |
| স্থান | কদমতলী গোল চত্বর এলাকা, কেরানীগঞ্জ |
| আগুনের ধরন | গ্যাসলাইটার উৎপাদনকারী টিনশেড কারখানা |
| নিয়ন্ত্রণে আসার সময় | বিকেল ৪টা ৪৪ মিনিট (৭টি ইউনিটের প্রচেষ্টায়) |
| হতাহত | ৫ জন নিহত, বেশ কয়েকজন দগ্ধ ও নিখোঁজ |
ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে জানানো হয়েছে, কারখানাটিতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না এবং জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এমন দাহ্য পদার্থের কারখানার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



















