বুধবার , ২২ এপ্রিল ২০২৬ | ১লা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বকে ‘অটুট’ বললেন স্পিকার

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
এপ্রিল ২২, ২০২৬ ২:৩৬ অপরাহ্ণ

Spread the love

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ককে একটি ‘পুরানো ও বিশ্বস্ত বন্ধুত্ব’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) তাঁর কার্যালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি দুই দেশের ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন।

ঐতিহাসিক সম্পর্কের মাইলফলক: স্পিকার ১৯৭৭ সালকে দুই দেশের কূটনৈতিক ইতিহাসের একটি অন্যতম মাইলফলক হিসেবে স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন:

  • শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: তাঁর চীন সফরের মাধ্যমেই দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল।
  • সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া: ১৯৯১ সালে তাঁর চীন সফর এই ঐতিহাসিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল।

সংসদীয় ও আঞ্চলিক সহযোগিতা: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ দুই দেশের জনগণের মধ্যে নিবিড় সম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে ‘সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ’ দ্রুত বাস্তবায়নের গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সংসদ সদস্যদের পারস্পরিক সফর বিনিময় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে। এছাড়াও তিনি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সার্ক (SAARC) গঠনের উদ্যোগকে বৈপ্লবিক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এই সংস্থায় চীনের ‘পর্যবেক্ষক’ হিসেবে উপস্থিতিকে আঞ্চলিক উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখেন।

বিশেষ প্রকল্পের প্রস্তাব ও সংকট নিরসন: সাক্ষাৎকালে স্পিকার বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয়ে চীনের সহায়তা ও ভূমিকা রাখার প্রস্তাব করেন: ১. তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন: উত্তরাঞ্চলের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এই প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরেন। ২. রোহিঙ্গা সংকট: এই মানবিক ও নিরাপত্তা সংকট নিরসনে চীনের প্রভাবশালী ও কার্যকর ভূমিকার প্রত্যাশা করেন তিনি।

চীনের রাষ্ট্রদূত ও বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ: চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন স্পিকারকে অভিনন্দন জানান এবং ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (BRI)-এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেন। সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষই দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। আলোচনায় বর্তমান বিশ্বের চলমান জ্বালানি তেলের সংকটের বিষয়টিও উঠে আসে।

সর্বশেষ - অপরাধ