ঘটনার বিবরণ ও পুলিশের পদক্ষেপ:
- বিবাদের কারণ: স্থানীয় পুলিশ ও গ্রামবাসীরা জানান, নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুর রবের কলেজপড়ুয়া মেয়ে এবং তাঁর ভাগনির ছবি ও ভিডিও লুকিয়ে ধারণ করেন ফিরোজ মিয়ার পক্ষের কিছু যুবক। বিষয়টি জানাজানি হলে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
- ঈদের নামাজের পর সংঘর্ষ: উত্তেজনার রেশ ধরে ঈদের জামাত শেষ হওয়ার পরপরই দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে গ্রামটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
- পুলিশের নিয়ন্ত্রণ: খবর পেয়ে গোপলার বাজার পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
- হতাহত ও চিকিৎসা: সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোনায়েম মিয়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো পক্ষই এখনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উৎসবের দিনে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় পুরো এলাকায় বিষাদের ছায়া নেমে এসেছে।


















