ইরানের কাছে পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য উচ্চগতির ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে এবং প্রয়োজনে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সেগুলো ব্যবহার করা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) জ্যেষ্ঠ কমান্ডার আলি ফাদাভি। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মিটার (প্রায় ৩২৮ ফুট) গতিতে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
আলি ফাদাভি আরও উল্লেখ করেন যে, পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি বর্তমানে কেবল ইরান ও রাশিয়ার কাছেই রয়েছে। যদিও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো স্বাধীনভাবে এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি, তবে এই ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরান যে তাদের নৌ-প্রতিরক্ষা ও আক্রমণাত্মক সক্ষমতা প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, এই হুমকি তারই ইঙ্গিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার এই হুমকি পারস্য উপসাগর ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনী ও মিত্রদের রণতরীগুলোর জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে এমন উচ্চগতির ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা এবং তা প্রতিহত করা বর্তমান আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ধারণা করা হচ্ছে, ইরান যদি সত্যিই এই ধরনের হামলা চালায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা তাদের ডুবোজাহাজ বিধ্বংসী (Anti-submarine warfare) প্রযুক্তি এবং অন্যান্য পাল্টা ব্যবস্থার মাধ্যমে এর জবাব দেওয়ার চেষ্টা করবে।
সূত্র : সিএনএন।



















