যানবাহন চলাচলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ সারা দেশে জারি করা যানবাহন চলাচলের বিধিনিষেধ শিথিল হতে শুরু করেছে। আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) মধ্যরাত থেকে সব ধরনের গণপরিবহন চলাচলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেওয়া হবে। উল্লেখ্য যে, গত বুধবার মধ্যরাত থেকেই গণপরিবহন চলাচল সীমিত হয়ে পড়েছিল এবং ভোটের দিন বৃহস্পতিবার তা প্রায় পুরোপুরি বন্ধ ছিল। তবে আজ সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন রুটে সীমিত আকারে বাস ও রিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে। আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালগুলো থেকেও দূরপাল্লার বাস ছাড়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
পরিবহন মালিক সমিতির বক্তব্য ও বাস্তব চিত্র বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নির্বাচনের কাজে বিপুল সংখ্যক বাস ও মাইক্রোবাস আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে রিকুইজিশন (অধিগ্রহণ) করায় সাধারণ যাত্রীদের জন্য বাসের সংকট তৈরি হয়েছিল। সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. জোবায়ের মাসুম জানিয়েছেন, রিকুইজিশন শেষ করে যানবাহনগুলো ফিরতে শুরু করায় আগামীকাল শনিবার সকাল থেকে যাত্রী সেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। অন্যদিকে, ভোটের দিন ভোটারদের সুবিধার্থে মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক ছিল এবং আজ শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও যাত্রীচাপ বিবেচনায় মেট্রোর ট্রিপ সংখ্যা কিছুটা সমন্বয় করা হয়েছে।
ভোটারদের ফিরতি যাত্রা ও সতর্কবার্তা নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে ধীরে ধীরে দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলতে শুরু করেছে। নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার পর উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করলেও বড় কোনো সহিংসতার খবর না থাকায় মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তবে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা আগামীকাল পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে বলে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাধারণ জনগণকে ফিরতি যাত্রায় সতর্ক থাকার এবং কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।


















