ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
রোববার রাতে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২ এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অগ্রগতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
হত্যাকাণ্ডের মোটিভ সম্পর্কে ডিবিপ্রধান বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি ব্যক্তিগত শত্রুতাজনিত বলে মনে হয়নি। বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীরকে এখনো গ্রেফতার করা সম্ভব না হওয়ায় নিশ্চিতভাবে মোটিভ নির্ধারণ করা যাচ্ছে না।
তিনি জানান, ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই সব ইউনিটকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযানে র্যাব, পুলিশ ও বিজিবি অংশ নেয়। এ সময় ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, অস্ত্র, গুলি এবং একটি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন। সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলার তদন্ত চলছে।
ডিবিপ্রধান আরও বলেন, অভিযুক্তরা নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ায়। ফয়সালের বাবা মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেট পরিবর্তন করেছিলেন। যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত নম্বর শনাক্ত করা হয়েছে এবং বিআরটিএসহ বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
তিনি জানান, উদ্ধার করা চেকগুলো বিভিন্ন ব্যক্তির নামে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবগুলো যাচাই করা হচ্ছে। ফয়সাল করিম মাসুদের অবস্থান সম্পর্কে বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।



















