ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও এনা ট্রান্সপোর্টের মালিক খন্দকার এনায়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে ১০৭ কোটি টাকার মামলা করেছে সিআইডি। মঙ্গলবার রমনা থানায় ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট মামলাটি দায়ের করে।
সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসা এনায়েত উল্লাহ আশির দশকের পর পরিবহন সেক্টরে কাজ শুরু করেন এবং অল্প সময়েই বহু বাসের মালিকানা ও সংগঠনে প্রভাবশালী অবস্থান তৈরি করেন। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিচয় বাড়িয়ে তিনি বিএনপি এবং পরে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ে সম্পৃক্ত হন।
২০০৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ১৬ বছর তিনি পরিবহন মালিক সমিতির শীর্ষ পদে থেকে সেক্টরে একচ্ছত্র প্রভাব বজায় রাখেন বলে অভিযোগ সিআইডির। তদন্তে ধানমন্ডিতে দুটি ফ্ল্যাট ও রূপগঞ্জে দুটি প্লটসহ প্রায় ১০ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে তার নামে থাকা ৫৩টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে, যেখানে টাকার পরিমাণ প্রায় ১১০ কোটি।
সিআইডির বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, এনায়েত উল্লাহ ও তার পরিবারের নামে থাকা ১৯৯টি ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে ২,১৩১ কোটি টাকা এবং উত্তোলন হয়েছে ২,০০৭ কোটি টাকা। ‘স্ট্রাকচারিং’ ও ‘স্মার্ট লেয়ারিং’ কৌশলে চাঁদাবাজি থেকে অর্জিত অর্থ বিভিন্ন হিসাবে ঘুরিয়ে মোট ১০৭ কোটি টাকার মানি লন্ডারিং করা হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।



















