শুক্রবার , ৩০ অক্টোবর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত অন্তত ২০

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ৩০, ২০২৬ ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দিনিপ্রো শহরের একটি ব্যস্ত রেলস্টেশনে ড্রোন হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৪ জন। একই দিন চেরনিহিভ ও ক্রেমেনচুক শহরে হামলায় আরও পাঁচজন এবং রাতে রাজধানী কিয়েভে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন নিহত হন। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনের ব্যবধানে ধারাবাহিক হামলায় ইউক্রেনজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যেই দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন অঞ্চলে ছয় দিনের স্থানীয় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় হওয়া এ উদ্যোগে নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরুর আশা তৈরি হলেও যুদ্ধবিরতি নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।

ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী সেরহি কোরেৎস্কি টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, রাশিয়া পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষকে হত্যা করছে। তারা ট্রেন, রেলস্টেশন ও আবাসিক ভবনে হামলা চালাচ্ছে। এসব হামলার কোনো যুক্তি নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কিয়েভের সামরিক প্রশাসন জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার কিছু আগে শহরের কয়েকটি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এতে একজন নিহত হন। হামলায় কয়েকটি গুদামে আগুন ধরে যায়। এ ছাড়া দিনিপ্রো নদীর পূর্ব তীরে একটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এর কয়েক ঘণ্টা আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার হামলাকে অত্যন্ত নিষ্ঠুর বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সবাই যখন উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগের অপেক্ষায়, তখনই রাশিয়া হামলা চালাচ্ছে। এটি ইচ্ছাকৃত।

জেলেনস্কি আরও বলেন, রাশিয়া নতুন করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে ইউক্রেনের গোয়েন্দারা তথ্য পেয়েছেন। রাশিয়ার হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। এ বিষয়ে মিত্রদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন বলেও জানান।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় দক্ষিণ ইউক্রেনের খেরসন অঞ্চলে ছয় দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। তবে এ যুদ্ধবিরতি শুধু ওই অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য। রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা ওলেশকি শহরে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালে রাশিয়ার হামলা শুরুর পর থেকে শহরটি যুদ্ধের মধ্যে আটকে রয়েছে।

ইউক্রেন ও রাশিয়া—দুই পক্ষই জানিয়েছে, ওই এলাকায় মাইন অপসারণের কাজ শেষ হয়েছে। ফলে এখন শহরটিতে ত্রাণ পাঠানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি যেসব বাসিন্দা শহর ছেড়ে যেতে চান, তাঁদের নিরাপদে বের হওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

তবে খেরসনে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইউক্রেনের অন্য এলাকাগুলোতে রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে রেলপথসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশটির অর্থনীতি।

ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় ক্ষেপণাস্ত্রের সংকট রয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রাশিয়া হামলা বাড়াচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। দিনিপ্রো শহরের প্রধান রেলস্টেশনে একটি যাত্রীবাহী ট্রেন ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ঠিক সেই সময় জেট ইঞ্জিনচালিত একটি ড্রোন প্ল্যাটফর্মে আঘাত হানে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় রেল সংস্থা উক্রজালিজনিতসিয়া।

হামলার পর প্ল্যাটফর্মজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে মরদেহ ও বিস্ফোরণের ধাতব টুকরা। মেঝেতে জমে ছিল রক্ত। এ সময় বিমান হামলার সতর্কসংকেত বাজছিল। এর মধ্যেই পুলিশ কালো ব্যাগে মরদেহ সরিয়ে নিচ্ছিল। স্টেশনের নিচে ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলেন ৬৭ বছর বয়সী স্বিতলানা শেরবাক। তিনি বলেন, ‘আর এসব কেন? তারা আসলে কী অর্জন করতে চাইছে? আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।’

দিনিপ্রো শহরের আরেকটি হামলায় শিক্ষার্থীদের একটি আবাসিক ভবনে আগুন ধরে যায়। আঞ্চলিক গভর্নর ওলেক্সান্দর হানঝা এ তথ্য জানান। তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবারের হামলায় শহরটির তিন লাখ ৫০ হাজার পরিবার বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে।

উত্তর ইউক্রেনের চেরনিহিভ শহরের একটি ব্যস্ত সড়কে ড্রোন হামলায় দুই কিশোরী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৩ জন। আহতদের মধ্যে চারটি শিশু রয়েছে। শহরটির সামরিক প্রশাসনের প্রধান দিমিত্রো ব্রিঝিনস্কি বলেন, হামলার শিকার ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষ ছিলেন। তাঁরা কাজে যাচ্ছিলেন এবং প্রতিদিনের মতো নিজেদের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

মধ্য ইউক্রেনের ক্রেমেনচুক শহরে আবাসিক ভবনে রাশিয়ার হামলায় নিহত হয়েছেন তিনজন। আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন। আঞ্চলিক গভর্নর এ তথ্য জানিয়েছেন। হামলায় কয়েকটি ব্যক্তিগত ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে, দক্ষিণ-পূর্ব ইউক্রেনের জাপোরিঝঝিয়া শহরে তিনটি পৃথক ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। শহরটির কয়েকটি বাসে ড্রোন আঘাত হানলে ছয়জন আহত হন বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় শান্তি আলোচনা শুরুর চেষ্টা চলছে। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে নতুন করে হামলা চালানো হলো। আগামী মাসে ইউক্রেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আবারও ত্রিপক্ষীয় আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে ইউক্রেনের মিত্র দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির শীর্ষ উপদেষ্টা কিরিলো বুদানভসহ দেশটির কর্মকর্তারা। তাঁদের মতে, রাশিয়ার হামলা বন্ধ করতে আন্তর্জাতিক চাপ আরও বাড়ানো প্রয়োজন।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

চট্টগ্রামে যুবদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে: হুমায়ুন কবির

ভেনেজুয়েলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র সুদৃঢ় হবে: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মনোনয়নপত্র বাছাই রোববার

জানাজার লাইন কারওয়ান বাজার-বিজয় সরণি হয়ে ছাড়িয়েছে আগারগাঁও

ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির

জ্বালানি সাশ্রয়ে পাকিস্তানে সরকারি গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমল ৫০ শতাংশ

জন্মনিবন্ধনে ভোগান্তি-জালিয়াতি, নাগরিক পরিচয়ের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন