বুধবার , ২৮ অক্টোবর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ২৮, ২০২৬ ৫:০১ অপরাহ্ণ

Spread the love

রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে। এ সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ট্রাফিক আইন অমান্যকারী যানবাহন চালকদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ৫৫ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলায় রয়েছে ৩৫ কিলোমিটার। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ সড়কে দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ বেপরোয়া গতি ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর ২০২২ সালের ২৫ জুন থেকে ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ৫৮৯টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ১৫২ জন নিহত এবং ৯৫০ জন আহত হয়েছেন।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলেন, অধিকাংশ দুর্ঘটনার প্রধান কারণ বেপরোয়া গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করা।

সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জে উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েকে এআই ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে আনার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে জাতীয় মহাসড়ক এআই ক্যামেরার পর্যবেক্ষণের আওতায় এসেছে। পর্যায়ক্রমে জেলা ও আঞ্চলিক মহাসড়কেও এআই ক্যামেরা স্থাপন করে সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায় আনা হবে। সড়ক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

গাজীপুর রিজিয়নের হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে অধিকাংশ দুর্ঘটনার কারণ বেপরোয়া গতি। পুরো এক্সপ্রেসওয়েকে এআই ক্যামেরার আওতায় এনে অতিরিক্ত গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এবং ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের স্বয়ংক্রিয় মামলার আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তাঁর আশা, এআই ক্যামেরার নজরদারি চালু হলে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং কমবে। পাশাপাশি চালকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে এবং সড়ক আইন মেনে চলার প্রবণতা তৈরি হবে। এতে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মমিনুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনা রোধে সড়কের বিভিন্ন স্থানে যানবাহনের গতিসীমা নির্ধারণ করে সাইন স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরাও রয়েছে।

তিনি বলেন, বেপরোয়া গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং, আকস্মিক ইউটার্ন, চালকের অসতর্কতা, সড়ক আইন না মানা এবং ঘন কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এআই ক্যামেরার মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল পর্যবেক্ষণ ও আইনভঙ্গ শনাক্তের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার সুযোগ তৈরি হবে। তবে প্রকল্পটি কবে নাগাদ চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত