তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে ঐতিহাসিক ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’-র পূর্ণাঙ্গ পাঠ মঙ্গলবার তুর্কি সংসদে উপস্থাপন করেছে রেনেসাঁ সরকার। গত আগস্ট মাসে স্বাক্ষরিত এ চুক্তির মূল ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিন দেশের যেকোনো একটির আঞ্চলিক অখণ্ডতা বা সার্বভৌমত্বের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা বাকি সব দেশের ওপর সম্মিলিত আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। ন্যাটো (NATO) সনদের বহুল আলোচিত ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের আদলে প্রণীত এ চুক্তির অধীনে যেকোনো বহিরাগত আগ্রাসন মোকাবিলায় আক্রান্ত দেশকে সামরিক সক্ষমতাসহ যাবতীয় প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সহায়তা প্রদানের যৌথ অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই কর্তৃক প্রাপ্ত চুক্তির পূর্ণাঙ্গ নথিতে নির্দিষ্ট কোনো দেশকে সরাসরি শত্রু হিসেবে চিহ্নিত না করা হলেও জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যৌথ আত্মরক্ষার অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। চুক্তির বিধান অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলো তাদের বিদ্যমান সামরিক সম্পদ ও সামর্থ্যের নিরপেক্ষ পর্যালোচনার মাধ্যমে মিত্র দেশকে সর্বাত্মক প্রতিরক্ষা সহায়তা দেবে। প্রতিরক্ষা, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা চুক্তি ও ভূরাজনৈতিক কূটনীতি বিষয়ক অফিসিয়াল আপডেট জানতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-এর পোর্টালে যুক্ত থাকতে পারেন।


















